"পৃথিবীতে খারাপ মানুষ অনেক আছে, কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নেই ❤️❤️

- হুমায়ূন আহমেদ

image

- অতিরিক্ত সরল হতে যেওনা??

- এই স্বার্থপর সমাজ তোমাকে ঠকিয়ে দিবে.!?

AHaMeD Eleyas changed his profile picture
6 yrs

image

কারও কাছে Nani "V" move link আছে

গল্প___ফেইসবুক___প্রেম
লেখা___ Piyas

সারাদিন ফেইসবুক নিয়ে পড়ে থাকি আর ছোট খাটো. গল্প লিখতে ভালোবাসো এক কথায় গল্প পড়তেও আমার ভালোলাগে. আজ মনটা অনেক খারাপ ফেইসবুকে ডুকতে না ডুকতে
দেখলাম একটা মেয়ের আইডি থেকে ফ্রেন্ড রিকষ্ট আসছে আর বিশেষ করে আমি মেয়েদের ফ্রেন্ড রিকষ্ট একসেপ্ট করি না তারপর উপর মেয়েটার নিজের পিক নাই আমার মনে হয় ফেইক
তাই ওদিকে খেয়াল না করে নিউজ ফিড ঘাটতে ছিলাম এমন সময় ওই আইডি থেকে মেসেজ আসলো hI লিখলো আমি মেসেজ না টেনে আবার নিউজ ফিডে গেলাম আবার একটা মেসেজ আসলো এই নিজেকে কি ভাবেন এতো
attitude দেখান কেনো এবার আমি মেসেজটা না টেনে পারলাম না

Piyas:- জ্বি বলেন আমি আপনার কি সাহায্য করতে পারি
Mim :- আমি কি বলছি আপনার আমার সাহায্য লাগবে
Piyas-তাইলে মেসেজ দিলেন কেনো
Mim. :- এমনি দিছি আপনার কোন সমস্যা আছে আগে বলেন আমার ফ্রেন্ড রিকষ্ট একসেপ্ট কেন করেন নায়
Piyas :- sorry কোন অচেনা মানুষের ফ্রেন্ড রিকষ্ট একসেপ্ট করি না
Mim :- আমি আপনার অচেনা কেউ না আপনার কাছের মানুষ
Piyas :-এবার একটু রেগে গিয়ে বল্লাম ফালতু কথা বাদ দেন কিছু বলতে চাইলে বলেন আর না বললে দূরে গিয়ে মরেন!
Mim :- অই আপনাকে তো আমি মনে করতাম ভালো মনের একজন মানুষ কিন্তু এখন দেখি সব আমার ভুল দারনা ছিলো গল্পে কত সুন্দর আবেগী ভালোবাসার কথা বলেন আর আমার সাথে রাগ দেখান কেনো
Piyas:- ওই ফালতু কথা রাখেন আমাকে আর মেসেজ দিবেন না এই বলে আমি আর ওই আইডিটার সাথে কথা বল্লাম না
Mim :- হেলো ওই মিস্টার
Piyas :- ............
Mim:- কথা বলেন না কেনো
Piyas :- দেখেন আপু না ভাই আপনার পরিচয়টা দেন
Mim :- আমি মিম আমার বাসা চট্টগ্রাম
Piyas :- তো আপনার আইডির নাম তো মেঘলা
Mim:- ওটা এমনি দিছি
Piyas:- আচ্ছা ভালো
Mim :- আপনার গল্পগুলা আমার অনেক ভালো লাগে
Piyas:- ধন্যবাদ
Mim:- তার থেকে বড় কথা আপনাকে আমার অনেক ভালো লাগে এক কথায় আপনার গল্প পড়ে পড়ে আপনার প্রেমে পড়ে গেছি!
Piyas:- প্রথম তো ভাবছিলাম আপনি পাগল এখন মনে হইতেছে আপনি পাবনা থেকে ছাড়া পাইছেন জানা নাই শোনা নাই আমাকে ভালোবাসে এইসব পাগল যে কোথা থেকে আসে আল্লাহ ই জানে
Mim:- হ্যা আমি পাগল তবে আপনার জন্য পাগল!
Piyas:- আপনি আমার পরিচয় জানেন আমি থাকি কই
Mim:- সব জানি আপনার সম্পর্কে আমি আপনি কোথায় থাকেন কি করেন কি
খান কার সাথে আড্ডা দেন A-Z সব জানি তবে তার থেকে বড় কথা আপনি একটু লাজুক আছেন
Piyas:- আল্লাহ আমাকে তুলে নেও তুমি
Mim:- তাইলে আমার কি হবে আর আমি অল্প বয়সে বিধবা হতে চাই না
Piyas :- gd n9
Mim:- -জান কই আমার সাথে আজ সারারাত কথা বলতে
Piyas:- ঠেকা পড়ছে আপনার মতো পাগল এর সাথে কথা বলতে
Mim:- এই পাগলটাকে সারাজীবন সহ্য করতে হবে
Piyas:- কিছু না বলে ঘুমিয়ে পড়লাম

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করতে করতে ফোনটা হাতে নিলাম ডাটা অন করার ফেইসবুকে ডুকতে না ডুকতে দেখলাম হাজারটা মেসেজ ওই মেয়েটার আমি মেসেজ করলাম এই আপনি কি পাগল নাকি কেউ কাউকে এতো মেসেজ করে

Mim:- আপনি অনেক পচা আমাকে না বলে ঘুমিয়ে গেছেন জানেন আমি সারারাত আপনার জন্য অপেক্ষা করছি আর মেসেজ দিছি আর বাভছি মনে হয় আপনি আবার লাইনে আসবেন কিন্তু না শেষমেশ আমি রাত ৪.১৫ ঘুমাইছি
Piyas:- একটা মানুষ যে এতোটা পাগল হতে পারে আপনাকে
না দেখলে বুজতাম না
Mim:- আপনি বি্ুজবেন কেমনে কাউকে ভালোবাসলে বুজতেন
প্লীজ একটা বার বোজার চেষ্টা করেন আমি আপনাকে অনেক ভালোবাসি
Piyas:- আচ্ছা তোমার রিকষ্ট রাখলাম তবে ফ্রেন্ড হতে পারি বড় জোর তোমার তারপর বেভে দেখবো তোমাকে আমার ভালোবাসার মানুষ বানানো যায় কিনা
Mim:- সত্যি আমি ভাবতে পারি নাই আপনি এতো সহজে
আমায় একসেপ্ট করবেন
Piyas:- এতো খুসী হয়ে লাভ নাই শুধু ফ্রেন্ড হবো বলছি আর কিছু না
Mim:-ফ্রেন্ড থেকে ভালোবাসার মানুষ বানানোর দায়িত্ব আমার আর ওই আমার ফ্রেন্ড রিকষ্ট একসেপ্ট করো না কেনো
Piyas:- আচ্ছা বাবা করতেছি

তারপর আমি রিজিয়ার ফ্রেন্ড রিকষ্ট একসেপ্ট
করলাম আর এভাবে ওর সাথে কথা বলতে বলতে
আমিও ওর প্রেমে পড়ে গেলাম এখন দুজন দুজন কে
ছাড়া কিছু বাভতে পারি না ????

গল্পটা কেমব লাগলো অবশ্যই আপনারা জানাবেন

image

"আপনি বিয়েতে 'না' করে দিন।"
মৌ ছেলেটার সাথে কথা বলতে ছাদে এসেছে।
ছেলেটার নাম শুভ। আজ ওদের বাসা ভর্তি মেহমান। পাত্রপক্ষ দেখতে এসেছে মৌকে।
মৌ কিছু বলার আগেই শুভ আবার বলতে শুরু করল।
"আমি বিবাহিত। দেড় বছর আগে আমার আর ফারিয়ার বিয়ে হয়েছিল। মাসখানেক আগে আমাদের সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায় ও।"
শুভ থামে। গলা জড়িয়ে আসে ওর। কিন্তু সবকথা বলতে চায় সে। একটা মেয়েকে ঠকাতে চায় না।
"আমার পরিবার বিয়ের কথাটা বলেনি। বিবাহিত ছেলের কাছে কে মেয়ে বিয়ে দিতে চায় বলেন? তারা হয়তো আমার সুখের জন্যই কথাটা গোপন করেছে। কিন্তু নিজের সুখের জন্য আরেকজনকে সারাজীবন ঠকিয়ে কি আসলেই সুখী থাকা যায়? এ বিষয়টা আর কাউকে বলবেন না। আমি চাই না, আমার পরিবার অসম্মানিত হোক। আপনি বরং বিয়েতে না করে দিন। তাহলেই হবে।"
অনেক শক্ত করে শুভ কথাগুলো বলল। তবুও মৌ ছেলেটার নরম মনটাকে অনুভব করতে পারছে। কথা বলার সময় যদিও একবারও পিছে ফিরে তাকায়নি শুভ। কিন্তু মৌ এর বিশ্বাস ছেলেটার চোখের কোণ ভিজে আছে।
"আমার কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন?" মৌ বলল।
"জি বলুন।" হাত দিয়ে চোখ দুটো মুছে মৌ এর দিকে ফিরল শুভ।
"আপনার কি বিয়ে করার ইচ্ছে আছে?"
"এই কথা কেন বলছেন?"
"আরে বলেন না।"
"হ্যাঁ আছে। তবে কোন মেয়ে আমাকে বিয়ে করবে বলেন!"
"আপনি কি আপনার হবু বউকে ভালোবাসতে পারবেন?"
"চেষ্টা তো করব। তবে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না। এটা তো আর আমার হাতে নেই।"
"তাকে সুখী রাখতে পারবেন?"
"জি, চেষ্টা করব।"
"তাহলে বিয়েতে আমারর আপত্তি নেই।"
"কী বলেন! এটা কী করে সম্ভব!"শুভ চোখ বড় বড় করে বলল।
"অসম্ভবের কী হলো আবার?"
"আপনি তো সব জানেন। তারপরও বিয়েতে রাজী হচ্ছেন! আপনি না করে দিলে আমার থেকেও ভালো ছেলে পাবেন। কমপক্ষে বিবাহিত তো আর হবে না আমার মতো।"
"ভালো ছেলে পাওয়া না পাওয়া সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু আমি একটা বাজি ধরতে চাচ্ছি।"
"কেমন বাজী?"
"দেখুন, অ্যারেঞ্জড ম্যারিজ আমার কাছে বাজি ধরার মতই, লাভ ম্যারিজ গুলোর মতো কাল্পনিক সুখের আশা নিয়ে এটা শুরু হয় না। কেউ নিশ্চয়তা দেয় না কোনো কিছুর। কপাল ভালো থাকলে ভালোও হতে পারে আর নাহয় খারাপ!"
"আপনি যেহেতু অ্যারেঞ্জড ম্যারিজই করছেন তাহলে আমিই কেন?"
"কারন বাজিটা তো আপনার উপর ধরেছি।"
"মানে?"
"মানে হচ্ছে, আপনি কথাগুলো গোপন করতে পারতেন। এই সৎ ব্যাক্তিত্বটা ভালো লেগেছে আমার কাছে। বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর জানলেও হয়তো তখন আর করার মতো তেমন কিছু থাকতো না। মেয়েদের দ্বিতীয় বিয়ে এই সমাজে অনেক কঠিন।
আপনি বলেছেন, আপনার বিয়ে করার ইচ্ছে আছে এবং হবু বউকে ভালোবাসবেন ও সুখী রাখবেন।
আমি এর অর্থ ধরে নিচ্ছি, আপনি নতুন করে শুরু করতে চাচ্ছেন সবকিছু। আর আমি আপনাকে সাহায্য করতে চাই।
আমি বিশ্বাস করি, এই একজীবনে সবাই একজনকে ভালোবেসেই পুরো জীবন কাটিয়ে দেয় না। অনেকে দ্বিতীয়জনকে আগের প্রিয় মানুষটার থেকে বেশি ভালোবাসতে পারে বা ভালোবাসে।
আমার ধারনা আপনিও পারবেন। আর যদি না পারেন, খবর আছে কিন্তু বলে দিচ্ছি!"
চোখ রাঙিয়ে শেষের কথাটা বলল মৌ।
"আমি আগে নিচে যাচ্ছি। আপনিও চোখ মুখ মুছে নিচে আসুন একটু পর।"
শুভ বোকার মতো দাড়িয়ে আছে। মৌ এর কাছ থেকে এমন কথাবার্তা আশা করেনি । মেয়েদেরকে বুঝা আসলেই বড্ড কঠিন। এর আগে ফারিয়াকে বুঝতে পারেনি, আর এখন মৌকে। হাসির এক ঝিলিক শুভর মুখে দেখা দিলো।
মৌ আর শুভর বিয়েটা হয়ে গেলো মাসখানেক পরই।
বিয়ের পর মৌ খেয়াল করেছে, শুভ কখনই ফারিয়ার নাম মুখে নেয়নি। এমনকি কখনো মৌ ইচ্ছে করে কথা তুললেও হাসিমুখে শুভ এড়িয়ে যায় প্রসঙ্গটা।
বছর শেষ না হতেই খুশির সংবাদ জানল সবাই। মৌ সন্তানসম্ভবা। সবচেয়ে বেশি খুশি শুভ। সারাদিন শুধু হবু সন্তানের চিন্তা!
'এটা করো না বাবুর সমস্যা হবে না।' সারাদিন শুভর দিক-নির্দেশনা মেনে চলতে হয় মৌকে। আগামী মাসের ১৩ তারিখ ডাক্তার ডেট দিয়েছেন। আর এদিকে শুভ ১১ তারিখ থেকেই ৭ দিনের ছুটি নিয়ে রেখেছে।
গল্প: অমানুষ।
লেখা: Mahdi Sheikh

image

ফেসবুক, টুইটারে পরিচিতরা আছেন বলে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারিনা। অবশেষে একটা পথ খোজে পেলাম মনের কথাগুলো বলার জন্য।
ধন্যবাদ FIB (Official)