Discover postsExplore captivating content and diverse perspectives on our Discover page. Uncover fresh ideas and engage in meaningful conversations
Greatly Illuminating Info Involving Buy instagram followers cheap https://famousera.com/product/buyfollowers/
হঠাৎ একদিন ৯ সংখ্যাটি ৮ কে জোরে এক থাপ্পড় মারল !
তখন কাঁদতে কাঁদতে ৮ জিজ্ঞাসা করলো, আমাকে মারলে কেন ?
৯ বলল, আমি বড় তাই আমার অধিকার আছে তোকে মারার।
এ কথা শুনে ৮, ৭ কে জোরে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিল।
৭ যখন ওকে মারার কারণ জানতে চাইলে ৮ ও বলল, আমি বড় তাই মেরেছি!
একই অজুহাতে, এরপর
৭, ৬-কে;
৬, ৫-কে;
৫, ৪-কে;
৪, ৩-কে;
৩, ২-কে;
আর ২, ১-কে মারলো!
হিসাব মতে এবার ১ - শূন্য(০)কে মারা উচিত...
কিন্তু "১" সেটা না করে ,শূন্যকে কাছে নিয়ে বললো, তুই আমার ছোটভাই, সবসময়ে আমার পাশে থাকবি। আমি চাই তোকে যেন কেউ আঘাত করতে না পারে।
সেই থেকে ১ আর শূণ্য (০) মিলে ১০ (দশ) হয়ে
গেলো। এখন সব সংখ্যাই তাকে সন্মান করা শুরু করলো।
ছোট ছোট কারণে বা অকারণে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ না করে, ব্যক্তিগত অহংকার দূরে ঠেলে আমরা যদি একে অন্যের হাতটা ধরতে পারি তাহলে আমাদের শক্তি বহু গুণ বেড়ে যায়।
আবু ত্ব-হার সন্ধান চাই মিজানুর রহমান আজহারী!
আবু ত্ব-হার সন্ধান চাই মিজানুর রহমান আজহারী!
হোটেলে মুরগির মাংস খেতে খেতে এক খদ্দের হোটেল মালিককে বললেন - "বাঃ! মুরগির মাংসটাতো বেশ নরম আর সুস্বাদু।"
হোটেল মালিক - "হবেনা কেন স্যার, পোষা মুরগি, আর যা খাওয়াই - কাজু, কিসমিস, প্রোটিনেক্স... "
"কি ? মুরগি কে কাজু কিসমিস? ব্ল্যাক মানি রাখার আর জায়গা পাচ্ছেননা বুঝি? দেখি আপনার সব হিসাবের খাতা পত্তর।"
খদ্দের মুরগির মাংসের দাম তো দিলেনইনা, উল্টে দু হাজার টাকা পকেটে পুরে চলে গেলেন। কারণ খদ্দের ছিলেন Income Tax Officer।
কদিন বাদে আরেকজন খদ্দের মুরগির মাংস খেয়ে খুব খুশি বললেন -"বা! পোষা মুরগি বুঝি? তা কি খাওয়ান এদেরকে?"
হোটেল মালিক এখন অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সাবধান হয়ে গেছেন, বললেন "আজ্ঞে, ভালো কিছু তো আর খাওয়াতে পারিনা, ওই পোকামাকড়, আরশোলা এসবই খাওয়াই।"
"কি? মুরগিকে পোকামাকড় খাওয়ান? জানেন আমি Prevention of Cruelty to Edible Birds এর আধিকারিক!! একথা উর্দ্ধতন মহলকে জানালে আপনার ভিটেতে মুরগির বদলে ঘুঘু চড়বে।"
এবারও আরো দু হাজার টাকা গেল দোকানদারের।
কদিন বাদে আরেকজন খদ্দেরের একই প্রশ্নে হোটেল মালিকের সোজা সাপ্টা জবাব, "একদম বলতে পারবোনা স্যার। রোজ সকালে প্রত্যেক মুরগির হাতে পাঁচ টাকা করে দিয়ে দিই। কে কি কিনে খায় জানিনা।"
জন্মসনদে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে হয়রানি ও বাণিজ্যের অভিযোগ