Discover postsExplore captivating content and diverse perspectives on our Discover page. Uncover fresh ideas and engage in meaningful conversations
ঘরে ঢুকতে যাবে এমন সময় জানালা দিয়ে উঁকি
মেরে দেখে তার স্ত্রী আলিঙ্গনরত একজন পুরুষের
গালে চুমু খাচ্ছে ।
এক দরিদ্র লোক ও তার স্ত্রী পাহাড়ে বাস করে
। বেশিরভাগ সময় এই পরিবারের নুন আনতে
পান্তা ফুরায় ; মাঝেমধ্যে না খেয়েও
দিনাতিপাত করতে হয়। মোটকথা, বাঁচার
সংগ্রাম । একদিন লোকটি রুটি – রোজগারের
সন্ধানে পাহাড় ছেড়ে অন্য কোথাও বেরুবার
সিধান্ত নেয় । যাবার আগে স্ত্রীকে বলে, ‘ আমি
দীর্ঘ দিনের জন্য বাইরে যাচ্ছি । তোমার প্রতি
আমি সবসময় বিশ্বস্ত ছিলাম এবং থাকব;
প্রতিজ্ঞা করতে পারবে যে তুমিও আমার
অনুপস্থিতে আমার প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে ‘? তার
স্ত্রী মাথা ঝাঁকিয়ে হ্যাঁ সূচক সম্মতি জানায়
।
অনেক দিন পার করে পাহাড় বেয়ে নিচে নেমে লোকটি
শর্ত দিয়ে একটি দোকানে চাকরি নেয় । শর্তটি হচ্ছে
এই যে, পুরো উপার্জন বা মজুরি মালিকের কাছে
জমা থাকবে; কাজ ছেড়ে চলে যাবার সময় সমুদয়
অর্থ ফেরত নেয়া হবে। মালিক গরিব লোকটির কথায়
রাজি হলেন।বিশ বছর পর লোকটি আর কাজ করবেনা
বলে মালিকের কাছে তার প্রাপ্য সব টাকা
ফেরত চাইল ।
মালিক বললেন , তুমি টাকা নিবে নাও কিন্তু
টাকার পরিবর্তে আমার তিনটা উপদেশও গ্রহণ
করতে পারো । তুমি স্বাধীন । হয় আমার উপদেশ
মানবে নয়তো তোমার বিশ বছরের পারিশ্রমিক ফেরত
নেবে, কোনটা ? লোকটি দুদিনের সময় নিয়ে অনেক
ভেবেচিন্তে বলল, ‘আমি আপনার তিনটি উপদেশ
চাই, আমার প্রাপ্য অর্থ নয়’ ।
তা হলে বেশ মনোযোগ দিয়ে মাথায় নাও । উপদেশ
-১ঃ কখনও সংক্ষিপ্ত রাস্তা বা সর্টকাট বেছে
নেবেনা ; আপাতদৃষ্টে ভাল হলেও লম্বা সময়
নিয়ে করা কাজ অধিকতর উপকারী । উপদেশ-২ঃ
কোন কিছুতে হুট করে আগ্রহ দেখাবেনা । ধৈর্য ধরে
উপসংহারে উপনীত হবার চেষ্টা করবে । এবং
উপদেশ ৩ঃ কারো সম্পর্কে ধারণা নেবার আগে
পুঙ্খনাপুঙ্খ চিন্তাভাবনা করবে ।
এই বলে মালিক লোকটিকে তিনটা পাউরুটি দিয়ে
বললেন , এই দুটি খাবে রাস্তায় ভ্রমণকালে আর
এই বড় রুটিটা খাবে বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর সাথে
শেয়ার করে ।
মালিকের উপদেশ মনে গেঁথে লোকটি তার দীর্ঘ ও
ক্লান্তিময় সফর শুরু করে । পথিমধ্যে একজনের
সাক্ষাতে জানতে পারে যে এই পথে যেতে যা
সময় লাগবে, বিকল্প পথে লাগবে তার চেয়ে অনেক
কম সময় । আর যেহেতু বিশ বছর ধরে সে স্ত্রীকে
দেখেনা তাই এমনভাবে সময় নষ্ট করা ঠিক না ।
লোকটি প্রথমে রাজি হোল কিন্তু পরক্ষনে মালিকের
উপদেশ -১ স্মরণ করে দীর্ঘ পথই বেছে নিলো । পরে
জানতে পারে যে সংক্ষিপ্ত পথে একটা এম্বুস ছিল
যা তার প্রাণ নিয়ে নিতে পারতো ।
সফরের এক সময় রাত্রি যাপনের জন্য লোকটি
একজন মহানুভব মানুষের সাহায্য গ্রহণ করল।
অনেক রাতে একটা গোংরানির শব্দে তার ঘুম
ভেঙ্গে গেলে সে খুব আগ্রহ নিয়ে কি ঘটেছে দেখার
জন্য দরজা খুলতে যায় । হটাৎ তার মনে পড়ে
মালিকের উপদেশ -২ অর্থাৎ হুট করে আগ্রহ
দেখানো ভাল ফল নাও দিতে পারে । সত্যি তাই ।
সকালে আশ্রয়দাতা জানালো যে রাতে এই
বাড়িতে একটা বাঘ ঢুকেছিল ।
অবশেষে দীর্ঘ পথ পরিভ্রমণ শেষে একরাশ ক্লান্তি
ও হাতে একটা পাউরুটি নিয়ে লোকটা বাড়ি
পৌঁছায় । ঘরে ঢুকতে যাবে এমন সময় জানালা
দিয়ে উঁকি মেরে দেখে তার স্ত্রী আলিঙ্গনরত
একজন পুরুষের গালে চুমু খাচ্ছে। রাগে, ক্ষোভে আর
ক্লান্তিতে বিধ্বস্ত লোকটি তার স্ত্রীর প্রতি
চরম ঘৃণা ভরে চিরতরে বাড়ি ত্যাগ করার
সিদ্ধান্ত নেয়। তবে বাড়ি ছাড়ার আগে সে
জানতে চায় কেন তার স্ত্রী তার প্রতি বিশ্বস্ত
থাকার প্রতিজ্ঞা করেও বিশ্বাসঘাতকতা করল
। অথচ সেতো সেই আগের মতই বউকে ভালবাসে।
দরজায় কড়া নাড়তেই সহাস্যে তার স্ত্রী
দরজা খুলে দিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরতে এগিয়ে আসে।
লোকটি তাকে কাছে ঘেঁষতে দেয় না -‘আমি শুধু
জানতে চাই তুমি আমাকে রেখে আমার
অনুপস্থিতে অন্য একজন পুরুষের গালে চুমু খেয়ে
বিশ্বাসঘাতকতা করলে কেন? কই আমি তো ওইরকম
নই বরং বিশটা বছর তোমার কথা ভেবে ভেবে
কাটিয়েছি ‘ – লোকটি বলল ।
‘ঘরে এসো সব খুলে বলছি’ – তার স্ত্রী
বিনীতভাবে আমন্ত্রন জানাল।‘না, তার আগে
আমার নিজ চোখে দেখা এই মাত্র ঘটে যাওয়া
অপকর্মের ব্যাখ্যা চাই’।
‘আচ্ছা ঠিক আছে, বলছি। তুমি যখন বাড়ি ছেড়ে চলে
গেলে তখন আমি সন্তানসম্ভবা। এখন আমাদের
বিশ বছর বয়সের একটা ছেলে আছে । দূরে পাহাড়ে
কাজে যাবে বলে দুইগালে চুমু খেয়ে আশীর্বাদ
করছিলাম’।
আনন্দাশ্রু নিয়ে উভয়ে পাউরুটিটা ভাগ করে খেতে
বসলো। রুটি চিড়তেই লোকটি দেখে তার মালিক তার
পাওনা সমুদয় অর্থ রুটির ভেতর গুঁজে দিয়েছিল ।
গল্প : কথা দাও পাশে রবে।
.
অফিসের কাজ করতে করতে অনেক রাত হয়ে গেল।
রিক্সা পাচ্ছি না। তবুও একটা রিক্সা পেলাম। রিক্সা করে বাসার কাছে আসতেই দেখি একটা মেয়ে আমার রিক্সার দিকে ছুটে আসল। আমার কাছে এসেই বলল "
আমাকে একটু সাহায্য করবেন ? "
আমি মনে মনে ভাবতে লাগলাম মেয়েটা ডাকাত নয় তো। এ রকম অনেক মেয়ে দেখছি রাতকে ডাকাতি করে।
আমি বললাম " কি করতে পারি আপনার জন্য ? " মেয়েটা কান্না করে বলল " আমি এই ঢাকা শহর টা ভালো করে চিনি না। এখানে এসেছিলাম আন্টির বাসায়। আন্টির বাসার এড্রেস ব্যাগে রেখেছিলাম । কিন্তু একদল
ছেলে আমার মোবাইল আর ব্যাগ টা চুরি করে নিয়ে গেছে। এখন আমি কোথায় যাব কোথায় তাকব কিছু বুঝতে পারছি না । "
আমার খুব ভয় করতাছে। আমি তো ভাবলাম আমাকে নরম নরম কথা বলে বোকা বানানো হচ্ছে। তাই বললাম " এই নেন আমার মোবাইল বাসায় ফোন দেন। "
মেয়েটা আমার মোবাইল নিয়ে বাসায় ফোন দিল। তবুও আমি বিশ্বাস করলাম না। আমি বললাম " এখন আমি যাই।
আপনার বাসায় ফোন দিয়েছেন এখন আপনাকে তারা নিয়ে যাবে। "
এই কথা বলতেই মেয়েটা ভ্যা করে কান্না করে দিল।
মেয়েটা কান্না করে বলল " আপনি এতো খারাপ। একটা মেয়ে কে এভাবে একা রেখে চলে যাচ্ছেন ?
আমি মিনমিন করে বললাম " তাইলে কি আমি আপনাকে আমার সাথে করে বাসায় নিয়ে যাব। "এই কথা বলতে না বলতেই মেয়েটা বলল " আপনি আমাকে আপনার বাসায় নিয়ে যান সকাল হলে চলে যাব। "
আমি সাথে সাথে বললাম " না না তা হবে না। আমি একা বাসায় থাকি। কখনও না জীবনেও না। "
মেয়েটা আবার কান্না করে দিল। আমি মেয়েটার
কান্না দেখে বললাম " শুনেন মেয়ে মানুষের কান্না আমি সহ্য করতে পারি না একটু নিরব হয়ে আমার রিক্সায় উঠেন। "
মেয়েটা রিক্সায় উঠল। আমিও সাথে সাথে বললাম "
কিছু জায়গা ফাক থকবে আমাদের মাঝে বলে দিলাম।
"
মেয়েটা একটা দীর্ঘশ্বাস নিল। হয়তো এ কথা বলার জন্য। মেয়েটা চুপ হয়ে সামনের দিকে চেয়ে আছে। চোখ থেকে পানি পড়ছে। আমি বললাম " কান্না করেন কেন ? "
মেয়েটা বলল " আমার ব্যাগ আর মোবাইলের জন্য। "
আমি বললাম " আপনার বাসা কোথায় ?
মেয়েটা কান্না থামিয়ে বলে " সিলেট। "
তারপর আর কিছু বলে নি।
.
বাসার কাছে আসতেই মেয়েটাকে বললাম " শুনেন এখানে অনেক পরিবার থাকে। আমাকে বিপদে ফেলবেন না। আমি আপনার কাছে একটা অনুরোধ করলাম। "
মেয়েটা বলল " সত্যি আপনাকে বিপদে ফেলব না। "
আমি তো রাতে রান্না করি। বাসায় খাবার নেই। আমি মেয়েটাকে বললাম " আপনি ফ্রেশ হতে চাইলে ওয়াশরুমে যেতে পারেন। আমি আপনার জন্য খাবার তৈরি করছি। "
তারপর মেয়েটা বলল " আপনি যান আমি আপনার জন্য খাবার তৈরি করছি। রান্নাঘর টা দেখিয়ে দেন। আমি মনে মনে ভাবতে লাগলাম মেয়েটা কে সুযোগ দেওয়া
যাবে না যদি খাবারে বিষ মাখিয়ে দেয় তাইলে আমি একাবারে শেষ তাই বললাম " না আপনি যান। আমি করতাছি। "
রাতের বেলা ঘুমানো যাবে না । আমি বললাম দেখেন আমার অফিসের কাজ আছে কাজ করতে হবে । আপনি ঘুমিয়ে যান। মেয়েটা আমার কথা শুনে ঘুমিয়ে গেল।
আমি ২ টার পর সোফায় ঘুমিয়ে থাকলাম । তারপর সকাল ৮ টায় উঠলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি সজাগ।
মেয়েটা কে দেখলাম ঘুমিয়ে আছে। আমি কফি করে মেয়েটার জন্য আনলাম। মেয়েটা কে ঘুম থেকে তুলে
হাতে কফি দিয়ে আমার কাজ করতে লাগলাম।
রান্নাবান্না করলাম। আমি অফিস যাব আর মেয়েটা কেও সাথে করে নিলাম। বাসের টিকেট কাটলাম। মেয়ে টা আমাকে অনেক ধন্যবাদ দিল। মেয়েটা আমার নাম্বার নিল। মেয়েটা কে ২ হাজার টাকা দিলাম।
উপকার যেমন করেছি ভালো করে উপকার করলাম।
বিদায় দিয়ে চলে আসলাম। মেয়ে টা বাসায় গেল কিনা তা জানতে পারলাম না। মেয়েটা কলও দেয় নি । তারপর আমার মনে হল মেয়েটা তো আমার মোবাইল দিয়ে কল
দিয়েছিল তাই মোবাইল টা বের করলাম কিন্তু নাম্বার পাই নি।
.
৬ মাস পর আমার অফিসের কাজের জন্য সিলেট গেলাম।
সিলেটে গিয়ে একটা দোকান খুঁজতে লাগলাম। দোকান টা অনেক বড়। অফিসের বস আমাকে পাঠিয়েছেন কাগজ টা দিতে। কিছু সময় খুজার পর দোকান টা পেলাম।
কাগজ দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে যাব এমন সময় পেটে অনেক খিদা লাগল। তাই খাওয়ার জন্য একটা রেস্টুরেন্টে গেলাম। রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেতে লাগলাম
একটা মেয়ে আমাকে পিছনের দিক দিয়ে ডাকতে ডাকতে আমার সামনে আসল। মেয়েটা কে আমি চিনে ফেললাম সেই মেয়ে টা। আমি বললাম " আপনি ? "
মেয়েটা আমার কথা শুনে বলে " আমি অনেক সরি।
সেদিন আপনার নাম্বার টা হারিয়ে ফেলেছিলাম।
কিন্তু আমি দুই মাস পর আপনার খুঁজে ঢাকা যাইতে
ছিলাম। আপনি এখানে কি কারণে এসেছেন ? "
আমি খেতে খেতে বললাম " অফিসের কাজে। "
মেয়েটা বলল " চলেন আমার মায়ের সাথে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেই। "
আমি বললাম " আগে খাই তারপর যাব। আপনি খাবেন কি? "
এই কথা বলতে মেয়ে টা না করল। খাওয়াদাওয়া শেষ
করার পর মেয়েটার মায়ের সাথে পরিচয় হলাম। আমাকে
দেখে খুব খুশি হলেন। এমন ভাবে কথা বললেন যেন আমি
তাদের নিজের আপন লোক। আমারও খুব ভালো লাগল।
আমি এক সময় বললাম " আমার যেতে হবে নইলে বাস মিস করে ফেলবো। "
তারপর মেয়েটা কিছু পথ এগিয়ে দিতে আসতে চাইল।
আমি না করলাম। মেয়েটা কে আমি বললাম আপনার নাম কি ? "
মেয়ে টা বলল " রূপা। "
রূপা আবার আমার নাম্বার চাইল। আমি নাম্বার দিলাম।
তারপর বাসে উঠলাম।
বাসে উঠে বাসায় আসতে লাগলাম।
রূপা রাতে কল দিয়ে জানতে চাইল কি করি আমি
বললাম " এইতো অফিসের কাজ করি। "
দু'জনের মধ্যে অনেক কথা হলো।
কয়েক দিন পর রূপা ঢাকা গেল। তার আন্টির বাসায়
এবার ঠিকানা ভুল করে নি। আমাকে কল দিয়ে দেখা
করতে বলল। আমিও রূপার সাথে দেখা করলাম। রূপা কিছু
শপিং করল। রূপা অনেক কেনাকাটা করল। একসময়
আমাকে বলল " এক কাজ করেন। আমার ভাইয়ের জন্য
একটা টিশার্ট কিনব। এক কাজ করেন আপনার মাপ টা
দেন। আমিও একদম মাপ টা দিয়ে দিলাম। আমি দেখতে
পেলাম শার্ট অনেক দাম। ১৫০০ টাকা। আমি একটা
কাশি দিলাম। এতো দাম দিয়ে জীবনেও শার্ট পড়ে নি।
সব কাজ শেষ করার পর রূপা চলে গেল। রূপা খুব ভোরে কল
দিল। বলল দেখা করতে। আমি তৈরি হয়ে দেখা করলাম।
হাতে দেখতে পেলাম কিছু খাবার। আমাকে বলল " নেন
আপনার জন্য। আপনি খান। "
আমি বললাম বাসায় গিয়ে খাব। আমি চলে আসতে যাব
রূপা ডাক দিয়ে বলল " এই শার্ট টা রাখেন আপনার জন্য
কিনেছিলাম। "
আমি বোকা হয়ে বললাম " এইটা আপনার ভাইয়ের জন্য ? "
রূপা এমনিতেই সুন্দর। তাই হাসি দিয়ে বলে " জ্বী না এই
টা আপনার জন্য কিনেছিলাম। "
আমি বললাম " তাই। "
রুপা যাওয়ার সময় বলল " আমি আজ চলে যাব। ভালো থাকবেন। "
.
দুই মাস যাওয়ার পর রূপা আমাকে বলল " আপনি কি
আমাদের বাসায় আসতে পারবেন কিছু কথা ছিল। "
আমি বললাম " এমন কি কথা ফোনে বলা যায় না ? "
রূপা অনেক অনুরোধ করল তারপর একদিন সময় বুঝে
রূপাদের বাসায় গেলাম। রূপাদের বাসা টা খুব সুন্দর।
অনেক ফুল গাছ। আমি ভিতরে যেতেই বৃদ্ধ একজন মানুষ
দেখলাম। আমি প্রথম উনাকে সালাম করলাম। তিনি সালামের উত্তর দিলেন। আমাকে বসতে বললেন। তারপর
তিনি একটা খবরের কাগজ নিলেন। আমাকে বললেন "
কি করো ? " আমি বললাম চাকরী করি।
আমি দেখতে পেলাম রূপা আসছে। অন্য দিন থেকে রূপা
কে আজ খুব সুন্দর লাগছে। রূপা চুপ করে বসে আছে। এখন
আমি বুঝতে পারলাম এই বৃদ্ধলোক রূপার বাবা। আমাকে
বললেন " বাসায় কে কে ? "
আমি বললাম " মা বাবা ভাই বোন। "
রূপার বাবা বললেন " আমার মেয়েকে পছন্দ করো। "
রূপা দাঁত মুখ কেমন অসহায় ভাব নিয়ে আমার দিকে
চেয়ে আমাকে বলতাছে " হ্যা বলতে। "
আমি কেমন যেন অনুভূতি অনুভব করলাম। তারপর বললাম "
হ্যা। "
রূপার বাবা আবার জিজ্ঞাস করলেন " আমার মেয়ে কে
কয় বছর ধরে ভালবাসো ? "
রূপা হাত দিয়ে ৫ বছর বলতে বলল । আমি মনে ভাবতে
লাগলাম এই মেয়ে কি পাগল। এক বছর হলো না পরিচয়
হয়েছে আর বলছে ৫ বছর এইটা কি করে সম্ভাব। আমিও
বলে দিলাম ৫ বছর। রূপার বাবা হাসি দিয়ে বললেন "
আমার মেয়ে কে সুখে রাখতে পারবে ? "
রূপা আমার দিকে চেয়ে হাসি দিয়ে বলে " হ্যা বলতে। "
আমিও হ্যা বলে দিলাম। তারপর রূপার বাবা উঠে
গেলেন। আমি তো কিছুই বুঝতে পারে নি। রূপাকে বললাম " এগুলা কি ? "
রূপা মিটমিট হাসি দিয়ে বলে " আপনার সাথে আমার
বিয়ে ? কেন আপনার কি কোনো গফ আছে নাকি ? আর
যদিও থাকে সে বাদ আজ থেকে আমি তাকব আপনার
স্বপ্নের দেশে। কেন আমাকে বিয়ে করবেন না ? "
আমি রূপার দিকে চেয়ে বললাম " ভাবতে হবে ? "
রূপা মন খারাপ করে বলল " ভাবতে হবে না আমি খুব
ভালো মেয়ে। আমি ছোট বেলা থেকে ভালো মেয়ে।
দরকার হলে মাকে জিজ্ঞাস করেন যান। "
আমি বললাম " আচ্ছা আমাকে কেন বিয়ে করতে চাও ? "
রূপা এবার হাসি দিয়ে বলে " আপনি খুব ভালো ছেলে। "
আমিও মাথা টা নিচু করে বললাম " বিয়েতে রাজি আমি। "
গল্প :-
""অন্তঃস্বত্তা মেয়েকে বিয়ে""
.
লেখক:- #Nayem_Ahmed
.
100% কান্না করবেন challenge....শুধু শেষ পর্যন্ত সাথে থাকবেন....
.
★------পর্ব :- ১৩ ~~২~ ♥
বাসায় আমি আর আপু। সজিবকে
ফোন দিয়ে বলেছি মা - বাবা আজ
আসবেনা। তুমি প্রাইভেট পড়াতে এসো না।
....
কিন্তু প্রায় সন্ধ্যা লেগে গিয়েছে। আমি
আর আপু তখন বসে " তামিলের রামচরণ "
মুভিটা দেখতে ছিলাম। হঠাৎ দরজা নর্ক
করার আওয়াজ। দরজা খুলতই বেশ হবাক
হলাম। কারণ দরজার বাহিরে সজিব
দাঁড়িয়ে আছে,হাতে বিয়িরানির প্যাকেট
আর একহাতে সেভেন আপের বোতল।
.
সজিব ঘরে আসতেই আপু বললো " আপনার
আবার এসব নিয়ে আসতে কে বললো?"
.
নাহ্ আঙ্কেল - আন্টি নাকি নানী বাড়ি
গেছে। তাই ভাবলাম যদি খাবার রান্না
করে না রেখে যায়!
.
সজিবের কথা শুনে আপু মুঁচকি হাসলো।
প্লেটে বিয়িরানি বেড়ে আপু খেতে বসতে
বললো। আমাদের সাথে আপুও বসলো।
খাওয়া- দাওয়া শেষ হতেই সেভেন আপ
গ্লাস এ ঢেলেই আপুকে বললো সজিব" কথা
আমি একটা ভুল করে ফেলেছি, বাহিরে
বাইকের সাথে চাবিটা রেখে
এসেছি,নিয়ে আসবে"।
.
আপু মুঁচকি হেসে চাবি নিয়ে আসতে
গেলো।এ সুযোগে সজিব আপুর গ্লাসে
কিসের যেন গুড়া মিশিয়ে দেয়। এদিকে
খাওয়া শেষ করে আপু আমি আর সজিব
মুভিটার শেষ দৃশ্য দেখছি। তখন সজিব বলে
ওঠলো" তোমরা তাহলে থাকে, আমি আজ
আসি"।
.
আচ্ছা যাবেই তো, তবে সিনেমাটা শেষ
করে যাও।( আপু)
.
এদিকে বসে সিনেমা দেখছি হঠাৎ আপুর
দিকে তাঁকাতেই দেখি আপু ঘুমিয়ে
গিয়েছে। আমি অনেকটা অবাক হলাম,কারণ
রাত ৮ টা বাজে এখনই আপু ঘুমিয়ে গেল।
আপু তো রাত ১২ টার আগে কখনো ঘুমায় না।
.
পাশে বসে সজিব মুঁচকি মুঁচকি হাসছে। এই
তুমি হাসো কেন?
.
কথা ঘুমিয়ে গিয়েছে, এই জন্য তুমি মনে
মনে কি যেন ভাবছো। তাই তোমার দিকে
চেয়ে হাসছি। আচ্ছা কথাকে নিয়ে শুইয়ে
দাও। এদিকে আপুকে নিয়ে আপুর বেডে
শুইয়ে দিয়ে বের হতেই দেখি সজিব আমার
দিকে কেমন যেন, কামুক দৃষ্টিতে তাঁকিয়ে
আছে।
.
এভাবে তাঁকিয়ে আছো কেন?
.
আমার সোনা- ময়নাটাকে দেখি।
.
"তাই বুঝি"কথাটা বলতেই দেখি বাহিরের
বৃষ্টি পড়ছে। হঠাৎ জোরে বজ্র পড়ার শব্দে
আমি ভয়ে সজিবের বুকে লেপ্টে পড়ি।
সজিব আমাকে কুলে তুলে নেয়। আস্তে
আস্তে আমার রুমে নিয়ে এসে দরজাটা লক
করে দেয়।
.
এই তুমি কি করছো! আমি জানতে পেলে
কেলেঙ্কংকারি হয়ে যাবে।
.
হা,হা,হা' তিনটা স্লিপিং পিল এর
এ্যাকশন ৯ ঘন্টার বেশি থাকবে চিন্তা
করোনা। কথার সেভেন- আপের গ্লাসে
ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে দিয়েছি। আজকের
রাতটা আমরা দুজন- দুজনকে শুধু
ভালোবাসবো! ( সজিব)
.
কি বলছো? এসব করতে পারবোনা!
.
তুমি কি আমায় ভালবাসো?( সজিব)
.
নিজের থেকেও বেশি!
.
"ভালোই যখন বাসো তবে, কেন বিশ্বাস
করছোনা! আমি তোমাকেই বিয়ে করবো।
তাই তোমাকে আজ আপন করে নিতে
চায়"কথাগুলো বলে আমাকে বিছানায়
শুইয়ে দিলো। দুই - হাত দিয়ে দুই হাত চেপে
ধরলো ঠোঁটের সাথে ঠোঁট দুটি মিলিয়ে
দিলো। শরীরটা ক্রমশ অবশ হয়ে আসছে।
আমি চোখ বন্ধ করে আছি! মনে হচ্ছে সজিব
আমার বুক থেকে কাপড় সড়াচ্ছে আমি বাঁধা
দিতে গিয়েও দিতে পারলাম না। শরীলের
প্রতিটি অঙ্গে আমার স্বপ্নের রাজকুমার
তাঁ ঊষ্ণ ঠোঁটের জ্বালাময়ী ভালবাসার
স্পর্শ এঁকে দিচ্ছে। একসময় নাভিতে হাত
দিতেই নিজেকে কন্টোল করতে পারলাম না
হাতটা ধরতে গিয়েও কেঁপে - কেঁপে ফিরে
আসলো। তারপর হারিয়ে গেলাম অন্য এক
জগতে। সকাল বেলা ঘুম ভাঙ্গতেই দেখি
আমার শরীরে কোন কাপড় নেই। সজিব
আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে। আমার
কাছে মনে হচ্ছে একটা মেয়েকে সব চেয়ে
কুৎসিত লাগে, বিবস্ত্র অবস্হায়। রাতের
কথা মনে পড়তেই চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে
পড়তে লাগলো। কারণ,নিজের মহামূল্যবান
সম্পদ টা কাল হারালাম। সজিবকে
ছাড়িয়ে কাপড়টা পড়ে নিলাম। সজিব ঘুম
থেকে ওঠে কাপড় পরে দেখে আমি কাঁদছি।
.
" এই পাগলী কাঁদো কেন" কথাটা বলে চোখ
মুছে দিয়ে কপালে চুমু দিয়ে জড়িয়ে ধরে
বললো" আমি আসি সোনা- ময়না "। বলেই
চলে গেলো।
.
এর পর থেকে প্রায় সময়ই সজিব সুযোগ
পেলেই বিয়ের কথা বলে,আমাকে ভোগ
করতো। আমিও কিছু বলতাম নাহ্কি। কারণ
ভালবাসার মানুষই তো এসব করছে। আর
সজিব আমাকে বিয়ে ককরবে। তাই কখনো
বাঁধা দেয়নি।কিন্তু বিপত্তি'টা হলো
তখনি যখনি আমার বমি আসতে শুরু করলো।
শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে লাগলো। সজিবকে
বললে সজিব বলে" তুমি এতো বোকা কেন
একটা ট্যাবলেট খেয়ে নিলেই পারতে! আমি
কান্না করে দিয় বললাম" তুমি না আমায়
বিয়ে করবে?
.
আরে কি বলো বিয় তোমাকে যে মেয়ে
বিয়ের আগে আমার সাথে এমন করতে
পারে! তাঁকে আমি কেন কেউ বিয়ে
করবেনা। আর হ্যাঁ মা- বাবার মানসম্মান
বাঁচাতে চাইলে আমি যে এমন করছি কাকে
বলোনা। আর হসপিটালে সব ব্যবস্থা করে
রেখেছি গিয়ে এবারশনটা করে নিয়ে।মা-
বাবার গলায় যদি দঁড়ি না দেখতে চাও।
.
- সজিবের কথাগুলো শুনে মায়ের নিচের
মাটি সরে গেলে।। সাজানো স্বপ্নগুলো
মুহূর্তের মাঝে এলোমেলো হয়ে গেলো।
কলিজাটা কষ্টে ফেঁটে যাচ্ছে।। ইচ্ছে
করছে নিজেকে শেষ করে দেয়। কিন্তু
আত্মহত্যা যে মহাপাপ। আমি কি এমন
অপরাধ করেছিলাম সজিব তুই আমার জীবন
টা এভাবে নষ্ট করলি?সজিবের উওর ছিলো"
ময়না পাখি তুমি ও মজা পেয়েছ আমিও
পেয়েছি এতে আমার অপরাধ কি। সেদিন
রাতে তো আমার ঘাম বের করে
ফেলেছিলে, সত্যি তোমার সাথে রাত
কাটানোর মজাই আলাদা!"
ঠাস- ঠাস-ঠাস লজ্জা করে না তোর এভাবে
বলতে, তুই আমাকে বিয়ে করবি বলে আমার
জীবনটাকে নষ্ট করে এসব বলছিস। তুই
জীবনেও সুখী হবিনা, অভিশাপ দিলাম।
চোখ দিয়ে পানি পড়ে গাল বেয়ে মাটিতে
পড়ছে।( কাঁদতে কাঁদতে কথা গুলো বললো)
' তারপর বুকে হাজারো কষ্ট চাঁপা দিয়ে।
পাহাড়সম কষ্ট নিয়ে নিজের পেটে হাত
দিয়ে বললো" ক্ষমা করে দিস
আমাকে,পাপিষ্ঠ'টা তোকে পৃথিবীর মুখ
দেখতে দিলোনা! আমি যে তোর মা
কলঙ্কিনী মা বড্ড অসহায়। ক্ষমা করে দিস,
কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বললো তোবা।
.
আজ আমি নিজের গর্ভের সন্তানটাকে
হত্যা করে আসলাম।পারছিনা আর এত কষ্ট
সইতে, আমার ভালবাসার অপমান সজিব
নামে জারজ সন্তানের হাতে " তার খুনটা
যদি আমি করতে পারতাম তাহলে পাপের
বুঝাটা কিছুটা লাঘব হতো! তারপর
ডাইরিতে কিছু লিখা নেই।
.
ডাইরিটা সম্পূণ পড়ে কথার আর বুঝতে
বাকি থাকে না" সজিব নামে জারজ
সন্তানটার জন্যই আজ তাঁর এ অবস্হা, তার
বোন তোবা পাগলপ্রায়। আর কণা আপু
কবরে! আর আমার জীবনের জীবন স্বামীটা
হাসপাতালে।
.
সজিবের ছবিটা, ছিঁড়ে ফেললো গ্যাসের
আগুনে দিয়ে ছবিটাকে জ্বালাচ্ছে। হঠাৎ
ফোনটা ক্রিং ক্রিং করে বাজছে ফোনটা
তুলতেই "
ভাবী ভাইয়াকে আর বাঁচানো গেলো না........
.
.
.
♥-----"To be Continue"---♥
.
গল্প :-
""অন্তঃস্বত্তা মেয়েকে বিয়ে""
.
লেখক:- #Nayem_Ahmed
.
100% কান্না করবেন challenge....শুধু শেষ পর্যন্ত সাথে থাকবেন....
.
★------পর্ব :- ১৩~~~ ♥
.
.
পরের পাতা উল্টটাতেই কথা একটা শর্ক
খায় দেখে একটা কবিতা লেখা কবিতাটি
রাজের লেখা তাহলে রাজ কী তোবার
সাথে সত্যি এমনটি করেছে?
.
কথা কিছু ভাবতে পারছেনা সেই কবিতা
যাহ্ রাজের ফেসবুক আইডি'তে পায়। কথা
পড়তে লাগলো কবিতাটিঃ
.
আমার হৃদয়ে রংতুলি দিয়ে এঁকেছি তোমায়
ছবি!
.
আমি হারিয়েছি আমায়!
তোমারি চোখের মায়াজালে,
মুগ্ধ নয়নে তাকিয়েছি তোমার দিকে,
যখনি তুমি শাড়ি পড়ে এসেছিলে কলেজের
সেই কদমফুল গাছটির তলে।
.
আমি মাতাল হয়েছি,যে তোমার,
এলোকেশের আঁকা-বাকা বাজে।
ভালোবেসেছি তোমায়,
হয়তো পাবোনা জেনেও।
ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করিয়াছি,
তোমায় হৃদয়ের গহীন কোণে।
তুমি কী বুঝেছ কভু?
আমার ছোট্ট হৃদয়ের ভালবাসাটুকু।
যদিও না পাই তোমায়,
তবুও ভালোবেসে যাবো অন্ততকাল।
"" ইতি '
" অতিথি পাখি"
.
কথা বিশ্বাসে আবারো আঁচ লাগলো।
তাহলে রাজ এজন্যই সুসাইড করলো, প্রথমেই
তোবাকে সে নষ্ট করেছিল। আর এই জন্যই
তোবা রাজকে পাওয়ার জন্য এতো কিছু
করেছে। কথা রাজকে অনেকটা ভালোবেসে
ফেলেছে, তার প্রতি রাজের ভালবাসা
দেখে। কিন্তু এসব পড়ে কথার নিজের ওপর
ঘৃণা হচ্ছে।
.
কথা চোখটা মুছে আবারো ডাইরিটা পড়তে
লাগলো।
.
সেদিন তোমার লেখা তোমার লেখা
কবিতা পড়েই তোমার প্রেমে পড়ে যাই।
.
তোমাকে নিয়ে দেখতে থাকি আমার
হাজারো স্বপ্ন। প্রতিরাত তোমার
অজান্তে লুকিয়ে তোলা তোমার ছবিটা
ফোনের ওয়েল পেপারে সেভ করে রেখে চুমু
খেতাম। হারিয়ে যেতাম আমার কল্পনার
রাজকুমারের মাঝে। স্কুল শেষে প্রতিদিন
তোমাকে একনজর দেখার জন্য লেট করে
বাড়ি আসতাম। আর মা বলতো' পাশের
বাড়ির জান্নাত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে,
তোর ফিরতে এতো লেট হয় কেন"। আমি
কিছু বলতাম না, কারণ তোমাকে একনজর
দেখতে পেলেই আমার সব কষ্ট দূর হয়ে
যেতো। জানো আমার স্বপ্নের রাজকুমার
তোমাকে নীল শার্টে অনেক সুন্দর
দেখাতো। সত্যি বলতে তোমাকে প্রথম
যেদিন কলেজের পাশে নীল শার্ট গায়ে
দিয়ে ভার্সিটির পাশে বাইক নিয়ে
দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি সেদিনই তোমার
প্রেমে পড়ে যায়। পরে জানতে পেয়েছি
তোমার পছন্দের কালার নীল। তাই অনেক
সময় নীল ড্রেস পড়ো!
.
কথা এ পর্যন্ত পড়ে, আর পরতে পারছেনা।
মনে মনে ভাবছে রাজের ও তো নীল
কালার পছন্দ! ডাইরিতে রাজের লেখা
কবিতাটিও তোবা লেখে রেখেছে! তোবা
তো রাজকে অনেক ভালোবাসতো। তা
তোবার লেখা ডাইরির প্রতিটি অক্ষর
সাক্ষী দিচ্ছে!রাজ তো আমাকে
ভালোবাসতো, তাহলে তোবার সাথে কেন
এমন করলো! সত্যি যদি রাজ তোবার সরল মন
নিয়ে খেলে থাকে, তাহলে আমি কার
ভালবাসা নিয়ে বাঁচবো। সজিব আর রাজের
মাঝে তাহলে ফাঁরাক টা কোথায়?
ডাইরিটার ওপর চোখের পানি পড়ার শব্দ
হচ্ছে টপ - টপ করে! ঝাপসা চোখটা বাম
হাতে মুছে আবারো পড়তে লাগলো,
ডাইরিটা।
.
তারপর একদিন আমার স্বপ্নের রাজকুমার
তোমাকে রাস্তায় একা বাইক নিয়ে
দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। রাস্তাততে কেউ
ছিল না। ভয়ে, ভয়ে তোমাকে দাড়াঁতে
বলি। তুমি বলেছিলে" কিছু বলবেন? "।
.
বিশ্বাস করো সেদিন আমি বোবা হয়ে
গিয়েছিলাম।
আমার সব ভাষা হারিয়ে গেয়েছিল
সেদিন। তুমি আবার বলবে " কি হলো
দাঁড়াতে বললেন, দাঁড়ালাম এখন কিছু না
বলে ফ্যাল-ফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন
কেন?"।
.
আমি তোমাকে কিছু বলবো!
.
আচ্ছা বলেন কি বলবেন?
.
আমি তোমাকে ভালবাসি! কথাটা বলতে
গলাটা কেমন ধরে এলো। সারা শরীর দিয়ে
গরম ঝাঝ বের হচ্ছিল। কথাটা বলে যখনি
দৌঁড় দিতে যাবো ঠিক তখনি তুমি আমার
হাতটা ধরে ফেলো। আমার সারা- শরীর
কেঁপে ওঠে, তোমায় ছোঁয়াতে, আজও ভুলতে
পারিনা সেই প্রথম ছোঁয়া।
.
তারপর তুমি বলেছিলে" এ পাগলী আমি
জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো "।
কথাটা বলে জড়িয়ে ধরো আমাকে, আমার
সারা - শরীরে তখন বিদ্যুৎ বয়ে যাচ্ছিল।
তারপর রাস্তার মাঝে,, আকাশ ডাক দিয়ে
বৃষ্টি নামে। তুমি আমাকে শক্ত করে
জড়িয়ে রেখেছিলে। আকাশ থেকে ভয়ংকর
শব্দ করে বজ্র পড়েছিল। আমি ভয়ে
তোমাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে
ধরেছিলাম। তারপর বৃষ্টিকে সাক্ষী রেখে
আমার ঠোঁটের সাথে তোমার উষ্ণ ঠোঁট টা
মিলিয়ে দিয়েছিলে। কেমন যে লেগেছিল
আমার তা তোমাকে বলে বুঝাতো
পারবোনা।
.
জানো এরপর প্রায় প্রতিদিনই তোমার
সাথে দেখা হতো। জানো আজও তোমার
ছবিটা ডাইরির ভাজে রেখেছি! আমার
স্বপ্নের রাজকুমার।
.
কথা এ পর্যন্ত পড়ে ডাইরির পরের পাতা
উল্টাতেই, কথার দুনিয়া যেন উলট- পালট
হয়ে যেতে লাগলো। কী দেখছে এসব।
কোনদিন কল্পনাও করতে পারেনাই, তোবার
জীবনটা এই নষ্ট করবে। কত বিশ্বাস
করেছিল মা- বাবা।আমি নিজেও বিশ্বাস
করেছিলাম। কথা চোখে যেন অন্ধকার
দেখছে। কেন এমন করলো, একটা মানুষ এতটা
মুখোশধারী হয় কেমনে? পৃথিবীতে এত
খারাপ মানুষও হয় নাকি, বিশ্বাস করা খুব
কষ্ট হচ্ছে।
কারণ ছবিটা যে আর কারো নয় " ছবিটা
হচ্ছে, কালপির্ড সজিবের"। সজিব কে মনে
হচ্ছে কবর থেকে তুলে নিজে খুন করি। নাহ্
তাকে হাজার বার খুন করলেও তার
অপরাধের বিন্দুমাএ শাস্তি হবেনা যে
অপরাধ করেছে। আমার নিঃশ্বাপ ফুলের
মতো বোনটার কোমল জীবন নষ্ট করেছে।
বোনটা পাগলপ্রায় হয়ে গেছে। রাজের
বোন কণাকে নষ্ট করে আত্মহত্যা করতে
বাধ্য করেছে। আমার ভালবাসার সাথে
প্রতারণা করেছে সরল মনে বিশ্বাস
করেছিলাম কালর্পিড টাকে। ওর জন্য
রাজের ফুলের মতো পবিএ ভালবাসাকে
বুঝতে পারিনা। অবহেলা করেছি আমার
স্বামীকে। যে মানুষটা শত কষ্ট বুকে নিয়ে
একটু ভালবাসা চেয়েছিল তাকে ঘৃণা ছাড়া
কিছু দিতে পারিনি। আমি সত্যিই অনেক
অপরাধী। কেমনে কষ্ট দিলাম, আমি সারা
পৃথিবীর ভালবাসাকে অপমান করেছি,
রাজের ভালবাসাকে অপমান করে! কারণ
যে মানুষটা বন্ধুর মুখের হাসির জন্য নিজের
ভালবাসাকে কুরবাণী দিতে পারে! তাঁর
ভালবাসা কতটা পবিএ। যে মানুষটা
ভালবাসার মানুষ অন্তঃসন্তা হওয়া সত্বেও,
তাঁর ভালবাসার মানুষকে বাঁচাতে বিয়ে
করে স্ত্রীর অধিকার দেয়। নিজের বোনের
খুনির সন্তানকে নিজের পরিচয় দেয়, কতটা
ভালবাসলে এতটা ত্যাগ করতে পারে একটা
মানুষ। আর আমি এতই হতভাগী আমার
স্বামীকে খুন করার জন্য দুধে ঘুমের ঔষধ
মিশিয়ে দেয়! আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করো,
আমার নিজের জীবনের বিনিময়ে আমার
স্বামীর জীবন ভিক্ষা দাও। আল্লাহ
স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা পবিএ তুমি
বলেছে। তুমি কবুল ককরে ননাও আমাদেরকে!
চোখ জোড়া আজ কোন বাঁধা মানছেনা
অঝরো আষারো শ্রাবণ ঝরছে। নিজেকে
কীভাবে সান্ত্বনা দিবে সে! চোখ দিয়ে
মনে হয় রক্ত বের হবে এতটা কষ্ট কেন হচ্ছে।
চোখ মুছে ঝাপসা চোখে ছবিটা সরিয়ে
আবার ডাইরিটা পড়তে লাগলো কথা-
.
আজ আমি অনেক হ্যাপি,কারণ আজ স্বপ্নের
রাজকুমার সজিবকে প্রাইভেট টিউটর
হিসেবে বাসায় নিয়ে এসেছি। মা- বাবা
সজিবের সাথে কথা বলে নিজের ছেলেদের
মতো করে নিয়েছে। এখন পড়ার টেবিলে
বসে হা করে তাঁকিয়ে দেখি আমার
স্বপ্নের রাজকুমারটাকে। তবে কথা আপুকে
অনেক ধন্যবাদ, আপুর সাথে সজিবের অনেক
আগে থেকেই পরিচয়। আপু ও বলেছে সজিব
ভালো ছেলে তাই যখন তখন আসতে পারতো
সজিব আমাদের বাসায়।
.
দিনগুলি ভালোই কাটতেছিল। লুকিয়ে পড়া
ফাঁকি দিয়ে সিনেমা দেখা।পার্কে
বেড়ানো কত ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছি। তবে
সজিবের সাথে ফ্যাজিক্যালি কোন
রিলেশন হয়নি। সজিব অনেক বলেছে, কিন্তু
আমি না করেছি। একদিন সজিব আমাকে
প্রমিজ করে আমাকে সজিব বিয়ে করবে।
আর আমি সেদিন থেকে সজিবকে নিজের
স্বামী মনে করি। কিন্তু ফ্যাজিক্যাল
রিলেশন হয়নি তখনো। একদিন নানা- নানী
অসুস্থ হয়ে পড়লে,মা- বাবা নানা বাড়ি
চলে যায়। বাসায় আমি আর আপু। সজিবকে
ফোন দিয়ে বলেছি মা - বাবা আজ
আসবেনা। তুমি প্রাইভেট পড়াতে এসো না।
♥-----"To be Continue"---♥
.
গল্প :-
""অন্তঃস্বত্তা মেয়েকে বিয়ে""
.
লেখক:- #Nayem_Ahmed
.
100% কান্না করবেন challenge....শুধু শেষ পর্যন্ত সাথে থাকবেন....
.
★------পর্ব :- ১২ ~~২~ ♥
বুকটা মনে হচ্ছে কষ্টের সাগর হয়ে গেছে।
চোখ দিয়ে অবিরাম বিষাদ সিন্ধুর জল
গড়িয়ে পড়ছে।
- বোনের ছবিটা বুকে নিয়ে বিছানায়
বসতেই, শরীর টা কেমন যেন কেঁপে ওঠে!
তাই বিছানায় গাঁ টা এলিয়ে দিতেই কখন
যে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে যায় তা আর মনে
নাই।
.
'ভাইয়া, ভাইয়া, তুমি কাঁদছো কেনো? তুমি
জানোনা তুমি কাঁদলে আমারো যে খুব কষ্ট
হয়। আর কেঁদোনা প্লিজ।
.
- হঠাৎ চিরচেনা সে 'ভাইয়া, ডাক শুনে
দরজায় দিকে তাঁকাতেই দেখি দরজা খুলা।
কিন্তু একি দরজায় ধব-ধবে সাদা একখানা
শাড়ি পড়ে দাঁড়িয়ে আছে কণা। আর বলছে
'ভাইয়া তুমি কেঁদোনা তুমি কাঁদলে
আমারো খুব কষ্ট হয়"।
.
কণাকে সাদা শাড়িতে কেমন যেন লাগছে।
তাই জিজ্ঞেস করলাম' কণা তুই না সাদা
শাড়ি পছন্দ করিস না তবে কেন এই শাড়ি
পড়েছিস? তোর জন্য তো বৈশাখেও নীল
শাড়ি কিনে দিলাম!
.
ভাইয়া, আমি চাইলেও আর নীল শাড়ি
কখনো পড়তে পারবোনা! ভাইয়া তুমি
আমার হত্যার বিচার করবেনা? আমার
আত্মা যে, সে বিশ্বাসঘাতকের মৃত্যু না
দেখে মুক্তি পাচ্ছেনা!
.
কণার কি সব বলছিস?।হঠাৎ কণার গলার
দিকে তাকাতেই দেখি গলায় দড়ির দাগ!
কণা বলে চিৎকার দিতেই ঘুম ভেঙ্গে যায়!
ঘুম ভাঙ্গতেই আর বুঝতে বাকি থাকেনা
এটা আমার দুঃস্বপ্ন ছিল।এখনো কণা'র
ভেঙ্গে যাওয়া ছবিটা বুকে।দরজার দিকে
তাকিয়ে দেখি দরজা লাগানো, ভয় ও হচ্ছে
আবার খুব কষ্ট হচ্ছে। মনে, মনে ভাবলাম
আমি আমার বোন হত্যার প্রতিশোধ ঠিকই
নিবো আর আমার বোনের চল্লিশ দিন
হওয়ার আগেই।
.
কথা ডাইরির পরের পাতা উল্টানোর
আগেই, ফোনটা ক্রিং ক্রিং করে বেজে
ওঠে!
.
ফোনটা ধরতেই ওই পাশ থেকে রিত্ত বলছে '
ভাবী, তুমি কোথায় ভাইয়া নাকি
বাঁচবেনা! প্লিজ তুমি শেষ বারের জন্য
হলেও ভাইয়া'কে দেখে যাও"।
.
এদিকে রিত্তের কাছে এমন কথা শুনে,
কথার মনে হচ্ছে তার হৃদপিন্ডে কেউ ছুঁড়ি
চালিয়ে দিয়েছে! রাজ না বাঁচলে যে
কথাও বাঁচবেনা। ডাইরিটা আলমারীতে যে
জায়গায় ছিল সেখানে রেখে হসপিটালে
রওনা দেয়!
.
হসপিটালে আসার পর দেখে সবাই কান্না
করছে! কথা সবার সামনে ডির্ভোস
পেপার'টা ছিঁড়ে ফেলে। সবাই কথায় দিকে
চেয়ে আছে!
.
কথা দৌঁড়ে রাজের পায়ের কাছে গিয়ে
কাঁদতে, কাঁদতে বলতে লাগলো, তুমি
আমাকে ক্ষমা করে দাও! আমি যে
তোমাকে ছাঁড়া বাঁচবোনা!আমাকে কেন
এতো ভালোবাসলে। এতো ভালবাসার পর
কেন ছেঁড়ে যাচ্ছো আমায়? তুমি চলে গেলে
কে আমাকে ভালোবাসবে!
.
এদিকে নার্স এসে কথাকে কান্না করতে
না করে এতে করে! পেশেন্টের ক্ষতি হবে।
কথা রাজের মুখের দিকে তাঁকাতেই বুকটা
হুঁ-হুঁ করে কেঁদে ওঠে। আজ কথার জন্যই তার
স্বামী মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ছে! মনে
হচ্ছে নিজেকে শেষ করে দেয়। কিন্তু
রাজের স্বপ্ন রাইসার জন্য বেঁচে থাকতে
হবে। কি সুন্দর মায়াবী মুখখানা'কোন অশুভ
ছাঁয়া গ্রাস করে ফেলছে! চোখ থেকে জল
বের হয়ে গাল বেয়ে পড়ছে! রাজের কপালে
একটা চুমু একে দিলাম। মনে মনে বলছি' রাজ
কী আমায় ক্ষমা করবে?আমি যে স্ত্রী হয়ে,
স্বামীকে মারার জন্য ঘুমের ওষধ
খাওয়েছি! আল্লাহও আমায় ক্ষমা করবেনা।
নিজেকে পৃথিবীর শেষ্ঠ অভাগী মনে হচ্ছে
' যে এতটা ভালবাসার পরও নিজের
স্বামীকে খুন করার জন্য এমন ইতিহাসের
জঘন্যতম খারাপ কাজ করছি! নিজের কাছে
নিজেই আজ বড্ড অপরাধী! চোখ থেকে মনে
হচ্ছে রক্ত বের হবে! কলিজাটা ফেটে
যাচ্ছে রাজের ওভাবে নিশ্চুপ শুয়ে থাকা
দেখে!
.
এদিকে বাবা আমাকে কাঁদতে দেখে,
বাসায় নিয়ে এসে পড়ে।
.
এদিকে এশার নামায পড়ে; মহান আল্লাহ্
তায়ালার দরবারে দু'খানা হাত তুলো বলতে
লাগলাম'হে পরওয়ার দেগার কখনো তোমার
কাছে হাত তুলিনি। কিন্তু আজ তোমার এই
অভাগী বান্দী তোমার কাছে দু'টি হাত
তুলেছে। হে রহিম- রহমান, তুমি আমার
স্বামীকে সুস্থ করে দাও, আমার স্বামীর
বুকে যেন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে
পারি! আমি যে বড্ড অপরাধী গুনাহ্গার তবুও
তোমার দরবারে হাত তুলেছি তুমি ছাঁড়া
আর কেউ যে নেই আমার! তুমি যে মহান,
দয়ার সাগর,তুমি রাজা-ধিরাজ! তুমি
হায়াত-মউতের মালিক। তুমি নাহ্ বলেছে
যখন কোন সন্তান কান্না করে দেয়, মা তাঁর
সন্তানের কান্না শুনে দৌঁড়ে আসে, আর
তুমি তো আমাদেরকে দুনিয়ার মায়ের
চেয়ে লক্ষ-কোটি গুণ বেশি ভালবাসো! যখন
তোমার কোন বান্দা রহিম-রহমান বলে
কান্না করে দেয়! তখন তোমার রহমতের
সাগরে টান লাগে। আমি তোমার রহিম-
রহমানের রহমতের দিকে চেয়ে রয়েছি
মাবুদ আমার স্বামীকে তুমি ভালো করে
দাও,সুস্থ করে দাও। নেক হায়াত দান করো!
আমিন।
.
নামায শেষ করে জায়নামায টা তুলে
রেখে রুম থেকে বের হতেই দেখি তোবা
পুতুল 'কে বলছে কাঁদে না শুনা! তোমার
বাবা তোমার জন্য এওোগুলো চকলেট নিয়ে
আসবে,তাই আর কেঁদোনা! কাঁদলে বাবাই
রাগ করবে! আমার সোনা-মণি ঘুমায়!
ইদানিং তোবার পাগলামি বেড়ে
গিয়েছে! কাল নাকি তোবাকে
সাইকিয়াটিস্ট দেখানে নিয়ে যাবে!
.
পরদিন তোবাকে ডাক্তার দেখানে নিয়ে
যাওয়ার পর হঠাৎ, মনে পড়লো তোবার কার
সাথে সম্পর্ক ছিল। যার সাথে অবৈধ
সম্পর্ক করার জন্য এবারশন করতে হয়
তোবার। কে সে যে তোবাকে মারসিক
আঘাত দেয় । কার সাথে তোবার সম্পর্ক
ছিল। এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ মনে পড়ে
তোবার রুমে খুজলে নিশ্চয়ই কোন তথ্য
পাওয়া যাবে।
যে ভাবা সেই কাজ অনেক খুজা-খুজির পর
কিছু না পেয়ে হতাশ হয়ে যায় কথা।
.
অনেক্ষণ পর কথার ড্রেসিং টেবিলের
লর্কার খুলে দেখে যে একটা লর্ক ডাইরি!"
.
কথা ডাইরির লক খুলতে না পেয়ো তালাটা
ভেঙ্গে ফেলে।
.
ডাইরিটি নীল কালিতে লেখা!
" ডাইরির প্রথম পাতা'টি উল্টাতেই কথা
শর্ক খায়! ডাইরির প্রথম পাতায় বড় করে
লেখা" আমার অনুভূতির ক্যানভাসে তোমার
নাম শুধু"
কথা পরের পাতা উল্টাতেই দেখে, নীল
কালিতে লেখা ' ছেলেটাকে প্রথম
দেখাতেই ভালবেসে ফেলি! নীল শার্টে
ঠিক রাজপুএের মতো লাগছে! আমার হৃদয়ের
রাজপুএ।
পরের পাতা উল্টটাতেই কথা একটা শর্ক
খায় দেখে একটা কবিতা লেখা কবিতাটা
রাজের লেখা তাহলে রাজ কী তোবার
সাথে........
.
♥-----"To be Continue"--♥ -