Discover postsExplore captivating content and diverse perspectives on our Discover page. Uncover fresh ideas and engage in meaningful conversations
গল্প : #বড়লোকের_মেয়ে vs আজাইরা পোলা !!!
Writer : Pantha Shahria !!!
- সবাই যদি শূণ্য হাতে অনেক
বড়লোক হতে পারে....
তবে আমি কেন পারবো না,
কিন্তুু ভাবতেছি করমুটা কী?
সব পকেট গুলো হাতিয়ে
সাত হাজার সাতশো সতের টাকা
পাইছি...
জীবনে কিছু করার জন্য এটাই
অনেক কিছু..
শূণ্য থেকেই আজ পৃথিবী এই পর্যায়
এসেছে...
আর আমি তো ভরা পৃথিবীর মধ্যে
আছি...
কিছু তো একটা আইডিয়া বের করতেই
হবে...
এর মধ্যেই এক জন বই বিক্রেতাকে
দেখতে পেলাম... চোখে মুখে
কেমন হতাসার ছাঁপ।
আমার পাশে এসেই বসলো..
কেমন চুপ চাপ হয়ে বসে আছে।
একটু কাছে গেলাম....
- আপনার কী কোন সমস্যা... আমাকে
বলতে পারের।
- না কোন সমস্যা নেই।
- আপনাকে দেখে তেমনটা
মনে হচ্ছে না... আমাকে
বললে মনে হয় না আপনার
কোন ক্ষতি হবে।
- আজকে দিয়ে তিনদিন হলো.. আমি
বাসাই যাই না... বাচ্চা গুলোর কী
অবস্থা সেটা ও জানি না... তাঁর
মধ্যে এই বউ গুলো ও বিক্রি
হচ্ছে না... একটা টাকা ও
কাছে নাই।
- হঠাৎ মাথাই বুদ্ধি আসলো... আমি ও
যদি বই বিক্রি করি।
আচ্ছা বলেন তো.. বই বিক্রি
ব্যবসাটা কেমন।
- যদি ট্রেনে ট্রেনে ঘুরে করতে পারেন
ভালোই... তবে ফ্যামিলি থাকলে
করতে পারবেন না... আমার
মতো।
- আচ্ছা আপনার এখানে কত গুলো
বই আছে... আর এর দাম কতো।
- আমার কাছে মোট ১০ হাজার টাকার
বউ আছে...।
- আচ্ছা আমার কাছে এত টাকা
নেই... আমি যদি তিন হাজার টাকার
বউ নেই তাহলে কেমন দামে
দিবেন।
- আপনি যদি তিন হাজার টাকার বউ নেন তাহলে... আমি অনেক কমে
দিতে পারি।
- ঠিকআছে আমাকে তাহলে বই
দেন... তবে আসি বেঁছে বেঁছে নিবো।
- যেমনে খুশি নিতে পারেন।
বাহ্ ভালোই ব্যবসা করা হবে বই
দিয়ে....
আর ঐ লোকের মতো আমার তো আর বাড়ি
ফেঁরার ও কোন টেনসন নাই।
একটা ব্যাগ কিনে ট্রেনে উঠে পড়লাম,
আর টিকেট ও মনে হয় লাগবে না
ফ্রিতে সরা দেশ ঘুরা হবে।
বেশি কথা বলি তাই বই বিক্রয় এর
ব্যবসাটাই আমার জন্য একদম
পারফেক্ট।
বই নিবেন বই... সব ধরণের বই,
মজার বই, কৌতুকের বই.. পড়বেন
আর দাঁত কেঁলাই হাঁসবেন..
আর জানেনই তো হাঁসিই হলো সকল
রোগের ঔষধ...
মনে এখানে দাঁড়ালো বিশ টাকাই
পেলেন একটা বই আর তার সাথে
ফ্রি সকল রোগের ঔষধ।
তাহলে আর দেরি কেনো এখনি
কিনে ফেলুন....
এই যে ভাইয়া আপনাকে তো দেখে
মনে হচ্ছে কোন চাকরির ইন্টারভিউ
দিতে যাচ্ছেন... আমাদের এই বইটা
পড়ে যদি ইন্টারভিউ দিতে যান...
তাহলে সকল প্রশ্নের উত্তর ১০০% দিতে পারবেন.....
নেন না একটা বই।
সবাই তো দেখি খালি আমার কথাই
শুনতেছে...
কেউ তো বই নিতেছে না....
তাহলে কী এই ব্যবসাই ডাউন
খেয়ে গেলাম... উহহহহহহ.. এক
জনরে দয়া দেখাতে গিয়ে তো আমি ফাঁইসা গেলাম...
লোকে মনে হয় আর বউ পড়ে না..
অন্য লোকের কথা ক্যান বলতেছি
আমিই তো একটা বড় পড়া চোর।
তা না হলে আজ এইটা করতে হয়।
শেষ একটা চেষ্টা করে দেখি
কী হয়....
সমনে একটা সুন্দরী মেয়ে
দেখতে পাইতেছি.. মনে হয়
অনেক বড়লোকের মেয়ে,
দেখি কাজ হয় নাকি।
- এই যে আপু... আপনাকে দেখে
তো অনেক সুন্দরী মনে হচ্ছে..
নিশ্চয় রূপচর্চা করেন...যদি
আপনার সৌন্দর্য কে আরো ফুটিয়ে
তোলা যায় তাহলে কেমন হবে বলেন
বলেন... হেব্বি তাই না...
এই জন্য বলছি কী আমার এই বইটা
নেন না.... তখন থেকে
একটা ও বিক্রি হয় নাই।
- ওয়াও আপনিতো অনেক সুন্দর করে
কথা বলতে পারেন...
আর দেখে ও তো ভালোই...
তবে বই বিক্রি না করে যদি গাইড
হয় খুব ভালো হবে।
- এটাই জুটে না কপালে আবার গাইড...
কিন্তুু কারে কী ঘুঁরে দেখামু... আমাগো
দেশের মানুষ এমনিই অনেক পাঁকা।
- আচ্ছা আপনি তো অরেক জায়গাই
বই বিক্রি করছেন রাইট।
- আরে অরেক জায়গা কী... এই পুরো
বাংলাদেশ আমি চিনি।
- সত্যি।
- হুমমমমমমমমমমম...আমার দাদাই
ঘুরছে আমার বাপে ঘুরছে আবার আমি
ও তো ঘুরতেছি...।
- না মানে.... আমি তো বাগের হাট যাচ্ছি..আর আমি
তেমন কিছু চিনি না যদি আপনি
আমাকে নিয়ে ঘুরতেন...আর হ্যা আমি
টাকা ও দিবো।
- আরে কোন চিন্তা কইরেন না..
মে হু না... আর আমাকে তুমি
করে বইলেন আমি ও কমু।
- ঠিকআছে।
- আচ্ছা তাইলে একটু বসি সাইটে..।
- ওকে।
- তোমারে একটা কথা বলি...
যারে তারে কিন্তুু বিশ্বাস করা ঠিক না..
আর আমি বই বিক্রেতা ও না..
বাপ দাদার ঐতিহ্য রক্ষা করতেছি
আর কী.. হি হি হি।
- আমি সেটা দেখেই বুঝছি...
এবার একটু চুপ করো কেমন।
আমি বাসাতে ফোন দিয়ে আব্বুকে
বলি যে আমি গাইড... পেয়ে গেছি।
- সেটাই ভালো... বলে ফেলো।
একটু পড়ে.....।
- আচ্ছা তোমার নাম কী?
- আমার নাম সাহরিয়া... তোমার।
- নীলা..।
- ঐ ঐ দশটা টাকা দাও।
- কেনো...।
- ওহহহহ আমরা খাবো
- আরে দশ টাকা দিয়ে আবার আমরা
কেমনে খাবো।
- ওহহহহহহহ.... ঐ যে দেখো ওই আমরা
খাবো বুঝলা।
- হুমমমমমম..সেটা ভালো করে বলবা
তো।
কয়েক ঘন্টা পড়ে....।
- এই তো স্টেশন এ চলে আসছি...
নেমে পড়ো.. এখান থেকে
বাসে করে কিছু দূর গেলেই বাগের
হাট।
- অনেক তাঁড়াতাড়ি তো এসে গেলাম।
- আমি আছি তো তাই... চলো নেমে
পড়ো।
- হুমমমমম...।
- ঐ যে ওই বাসটা দেখছো না... ওটাতে
চড়লেই সোজা বাগের হাট
নিয়ে যাবে.. এই তো কিছু দিন
আগেই তো আমি গেছিলাম.. দুইটা
বাঘ কিনে আনছিলাম...
চলো চলো বাস ছেঁড়ে দিবে...।
- সাহরিয়া... আমরা তো অন্য পথে যাচ্ছি
না....।
- আরে দূর... সব কিছু আমার মুখস্ত।
- ঠিকআছে ...।
বাসের কন্টাক্টর যখন ভাড়া নিতে
এসে বললো....।
- কই যাবেন।
- বাগের হাট।
- কীইইইইই.... আরে ভাই বাগেরহাট
তো.. আরো ১০০ কি.মি. দূরে...
এই স্টেশনে নামছেন কান....।
এই কথা শুনে তো বাস থেকে
নেমে পড়লাম।
এই দিকে নীলে তো হেব্বি রেগে
গেছে...।
- খুব তো বলছিলে... সব মুখস্ত..দুইটা
বাঘ নাকি কিনে নিয়ে গেছো..
এখন কী হলো হুমমমম।
- আসলে মানে হইছে কী... এখানের
সব রাস্তাঘাট গুলা একি রকম বুচ্ছ..
তাই তো গুলাই গেছি... হি হি হি।
- এক দম দাঁত কেলাবে না.... এখন
স্টেশন পর্যন্ত যাবো কেমনে।
- আরে বেশি দূরে আসি নাই তো
ঠিক চলে যাবো দেখো।
- চুপপপপপ... একটা কথা ও বলবা না।
এর মধ্যেই সন্ধা হয়ে আসছে...।
একটা লোককে বললাম...।
- ভাই স্টেশন আর কত দূর...।
- আরো তো অনেক খানি পথ...
আর সামনের রাস্তা যা ভয়ংকর..
সাবধানে থাইকেন...।
শুনেই তো গলা শুকিয়ে গেছে...
নীলার কাছে তো জরোসরো
হয়ে আসলাম...।
- ছি.... তোমার লজ্জা করে না
একটা ছেলে হয়ে এমন ভয়ে কাঁপছো।
- ভয় মেয়ে ছেলে মানে নারে পাগলি।
- ওহহহহহহহ....ক্যান যে আমি
তোমাকেই বেঁছে বেঁছে আনলাম...
আল্লাহ্ জানে।
- আমার মতো ভালো পোলা পাবা না
যে তাই।
- ঐ থামবা.... কিছু বুদ্ধি থাকলে
বলো।
- হুমমমম...একটু পরে তো মনে হয়
আমি মরেই যাবো...
একটা সত্যি কথা বলি...
আমি ঐ সব বই বিক্রি করি না,
আর আমার বাপে ও মনে হয় না
কোনদিন বাগের হাট আসছে
,আর আমি তো দূর....
তোমারে দেখেই তো মনটা ঢং করে
উঠছিলো...
তাই তো ওমন তোমার কথার সাথে
তাল মেরে এতদূর আসছি।
আর আমিতো মরেই যাবো বুঝতেই
পারতেছি... আমাকে ক্ষমা করে
দিও কেমন ।
- সাহরিয়া... চুপ করবা তুমি....
আর এখন হাতটা ছাঁড়ো আমার।
- হাতটা ধরে আছি দেখেই তো
বেঁচে আছি... না হলে
কবে উপরে যেতাম।।।
- ওকে এবার চলো....।
- ওহহহহহ আবার আমার ঘারে মুখ
লুকাইতেছো কেনো।
- ভয় লাগতেছে তো।
- সোজা হয়ে আমার সাথে সাথে এসো..
আর একবার মেয়েদের মতো ভয়
করলে... আমিই মেরে ফেলমু।
একটা ব্রিজ এর উপরে উঠতেই..
নিচে থেকে...
কিসের যেনো শব্দ শুনতে পেলাম..
আর তখনি দিলাম নীলার হাত
ধরে দৌঁড়...
এক দৌঁড়ে স্টেশনে চলে আসলাম...।
আর এসেই তো ধপ করে পড়ে গেলাম...
তারপরে আর কিছু মনে নাই।
একটু পড়ে চোখ খুলতেই দেখি..
নীলা আমার দিকে রাগান্বিত দৃষ্টিতে
তাঁকিয়ে আছে....।
- হি হি হি ভয় পাইছো না....।
- দুনিয়াই এত মানুষ থাকতে যে
কেন তোমার সাথেই আমার দেখা
হতে হবে।
- আরে আমি কেমনে কমু।
- আচ্ছা এবার বলো তো তোমার ধান্দাটা
কীইইইইই.।
- ঐ ঐ আমার কোন ধান্দা নাই সত্যি...
আমি তো অনেক বড় হতে এসেছি।
- হা হা হা বড় হবা আবার তুমি... অসম্ভব,
যেই ছেলে মেয়েদের থেকে বেশি ভিতু
সে কী না হবে বড়।
- আরে আমার ঐ একটা জিনিসের
প্রতিই বেশি ভয়.. সেটা হলো
ভুত...।
- চুপপপপপ করে থাকো তো..... কেমনে
যে যাবো সেটা ভাবছি।
- আরে আমি আছি না কালকে ঠিক
নিয়ে যাবো হুমমমমম..।
- আবার তোমার সাথে জীবনে ও
না।
- এহহহহহহহহ..আমার জন্য কত্ত জায়গা দেখতে পেলে তার বেলা।
এরি মধ্যে মাথাই হাত দিয়ে
দেখি চুল গুলো ভেঁজা......।
- আচ্ছা নীলা তুমি আমার মাথাই পান
দিছিলে।
- না।
- তাহলে চুল গুলো ভেঁজা কেন।
- এই যে মানুষ গুলো যাচ্ছে তারা
তোমাকে এমন ভাঁবে শুয়ে থাকতে
দেখে... মাথাই পানি ঢেলে
দিয়ে যাচ্ছিলো।
- তাহলে তোমার উঁড়না ভেজা কেনো।
- ওহহহহহহ এমনি।
- তার মানে তুমি মাথা মুছে দিছো না...
হি হি হি।
- চুপপপপপ করো তো আজাইরা পেঁচাল
খালি।
পরেরদিন সকালে ট্রেন আসলো....।
- নীলা ট্রেনে না গিয়ে যদি পিকাপ
এ যাই সব কিছু ভালো করে
দেখতে পারবো..... আর আমি ঠিক
করে ফেলছি।
- আমি আর যাচ্ছিনা তোমার
সাথে।
ট্রেনে উঠার সময় হাতটা
ধরে বললাম...।
- সত্যি খুব ভালো লাগবে।
- হাতটা ঝটকানি দিয়ে চলে গেলো।
আর আমিতো বোকার মতো চেয়ে
রইলাম।
ট্রেন টা আস্থে আস্থে চলে যাচ্ছিলো।
- আমি একটা ব্রেঞ্চ এ এসে বসে পড়লাম..
আর ভাবছিলাম... কালকের দিনটা আর রাতটা কেমন খুব তাঁড়াতাড়ি পার
হয়ে গেছিলো....
ওহহহহহহহ ক্যান যে বাসা থেকে
আসছিলাম আর নীলার সাথেই
দেখা হলো দূর....
ভুলতেই তো আর পাছি না....
এখন কী করমু...... মাইয়া মানুষ গুলা
ও কেমন এই আসে আর যায়।
একটু পড়ে মনে হলো কেউ যেনো
পাশে এসে বসলো.....
তাঁকাইতেই তো লাফ দিয়ে উঠলাম...।
- নীলা তুমি... যাওনি।
- না তো.... তোমার মতো একটা ভিতুকে
কেমনে একা ফেলে যাই বলো।
- হি হি হি হি...এইটা ঠিক বলছো।
- চুপপপপপ..... কই তোমার পিকাপ।
- না মানে.... চলে গেছে তো।
- কীইইইইই....ওহহহহহহহহহ।
- আরে একটা গেছে তো কী হইছে...
আরো আছে হুমমমমম....
চলো যাবা।
- না যেয়ে কী আর উপাই আছে... তোমার
মতো একটা গাধার পাল্লাই পড়ছি যে।
- হুমমমমমমম.... ঐ যে আর একটা
চলো.... এই বার তো যামুই যামু।
নীলার হাত ধরে দিলাম দৌঁড়...।
- মামা বাগেরহাট যাবেন।
- হুমমমমম উঠেন।
- বাট আর কোন লোক তুলতে
পারবেন না... আমরা দুই জনই
খালি যামু।
- তাহলে দুই হাজার টাকা লাগবে।
- ঠিকআছে তাইলে লেক তুইলেন।
- ঐ লোক তুলবে ক্যান... (নীলা) ।
- আমার কাছে তে টাকা নাই।
- ওহহহহহহহহ আমার কাছে আছে...
মামা কোন লোক তুলবেন না।
- নীলা তুমি না হেব্বি জোস.... হি হি।
- হুমমম.. এবার গাড়িতে উঠো....।
- আহহহহহহহহহহহহহহ কী বাতাস....
হেব্বি লাগছে না...।
- ওয়াও অনেক সুন্দর তো.।
- বাট তোমার থেকে অনেক গুণ কম...।
- তাই না ফাজিল।
- হুমমমমমমমমমমম।
গাড়ি চলতেছে.... আমি তো নীলার
হাতের উপরে হাত রেখে জোরে জোরে
চিল্লাইতেছি......
মনে হয়..... পাগলিটার সাথে
সেটিংটা হয়েই গেলো হি হি হি হি।।।
তাই তো বলি বাড়িতে কেনো এক সেকেন্ড
ও থাকতে চাই না...... এবার বুচ্ছি
ব্যাপার টা....... হু হা হা হা।।।
>>সমাপ্ত<<
আমাদের এলাকাতেই এই রকম ঘা সহ অনেক কুকুর দেখা যায়৷ মাত্র ১০ টি টাকার একটি ঔষধের অভাবে অবলা প্রাণী গুলো ধুকে ধুকে মারা যায়।
না পারে নিজের কষ্টের কথা গুলো কাউকে বলতে, চট করে ঘা গুলো কমেও না।
NEOMEC কিংবা এই ধরনের যে কোন একটি ঔষধ ফার্মেসি থেকে কিনে মিষ্টি কিংবা রুটি অথবা যে কোন খাবারের সাথে মিশিয়ে দিলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবে।
জীবনে ভালো সময় আর খারাপ সময় দুটোই চিরস্থায়ী নয়। তাই খারাপ সময়ে যেমন ভেঙে পরা ঠিক নয়,তেমনি ভালো সময় নিয়েও গর্ব করা উচিৎ নয়।
মনে রাখবেন সময় যতই ভালো বা খারাপ হোক তা বদলাবেই,জীবন সব সময় সমান যায় না,তাও ভালো কিছুর জন্য অপেক্ষা করুন। ঠিক সময়ে এসে সেরা উপহার টি অবশ্যই পাবেন।
সকালের আকাশ যতোই মেঘলা হউক ভোরের আলো ফুটবেই তেমনি সময় যতই খারাপ হউক আধার কেটে আলো একদিন হবেই। শুধু একটু ভরসা রাখতে হবে আল্লাহর উপর।
যারা সৎ ও নিষ্ঠার সাথে পরিশ্রম করেন, সৃষ্টিকর্তা তাদের সাহায্য করেন,অার সেইটা অামি নিজে উপলব্ধি করেছি।