“অনেকেই অন্যের জন্য খাবার তৈরি করতে পারে। কিন্তু পরিতৃপ্ত করার ক্ষমতা সবার নেই।”
উস্তাদ হোটেল ফাইজি নামের একটি তরুণের গল্প। এটি তার দাদা করিম ইক্কার গল্প। ফাইজি হোটেল ম্যানেজমেন্ট পড়ার জন্য সুইজারল্যান্ড যায়। ফিরে আসার পর সে জানায় সে লন্ডনের আইভি রেস্টুরেন্টে শেফ হিসেবে জব পেয়েছে এবং এক সপ্তাহের ভিতর জয়েন করতে চায়। এরপর কিছুটা অ্যাজ ইউজ্যুয়াল কাহিনী। ফাইজির বাবা সেটা মেনে নিতে পারেন না, তাই তার পাসপোর্ট নিজের কাছে রেখে দেন। ফলশ্রুতিতে ফাইজি বাসা ছেড়ে তার দাদা করিম ইক্কার কাছে চলে আসে আর এখান থেকেই শুরু হয় মুভির কাহিনী। আমরা অনেকেই হয়ত অনেক কিছু ঠিক করে রাখি ফাইজির মত। কিন্তু হয়ে যায় হিতে বিপরীত। হয়ত এর থেকে ভালো কোন সুযোগ আমাদের হাতের কাছেই আছে। যা আমরা চাইলেই কাজে লাগাতে পারি। কিন্তু সেটা উপলব্ধি করতে পারি না। ফিল্মের শেষের দিকে নারায়ণ কৃষ্ণন নামের একটি চরিত্র আছে যেটা ভারতের একজন সোশ্যাল ওয়ার্কার এর জীবনের উপর বেইজ করে বানানো। তাঁর নামও নারায়ণ কৃষ্ণন।
এই মুভিটি তিনটি ক্যাটেগরিতে জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এর ভিতর একটি করিম ইক্কা ওরফে থিলাকান কে স্পেশাল মেনশনে মরণোত্তর পুরষ্কৃত করা হয়।
মুভি নাম - উস্তাদ হোটেল
আইএমডিবি রেটিং - ৮.৩/১০
ব্যক্তিগত রেটিং – ৯/১০
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার – জাতীয় পুরস্কার (৩টি)