Discover postsExplore captivating content and diverse perspectives on our Discover page. Uncover fresh ideas and engage in meaningful conversations
এক কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি আটাশ বছর বয়সে এসে বিয়ে করবেন বলে দেশে আসলেন। বাবা-মা হুলুস্থুল হয়ে মেয়ে খুজছে, মেয়ে হতে হবে বাঙালি, লম্বায় পাঁচ ফুট তিন থেকে পাঁচ ইঞ্চি। এর কম না, বেশি না। রঙ ফর্সা কিংবা উজ্জ্বল শ্যামলা, উচ্চ বংশ, পড়ালিখা অনার্স পাশ।
ষোল আনা চাই পরিবারের...
তিন মাসের বাংলাদেশ ভ্রমণ, এক মাসের মাথায় মেয়ে ঠিকঠাক। ষোল আনা পেয়েছিল কিনা জানিনা, তবে ছেলের জ্বলজ্বল করা চোখ দেখে মনে হল যা চেয়েছে তার চেয়ে বেশি গুণবতী মেয়ে। আমি আগ্রহ নিয়ে দাওয়াত পাওয়ার অপেক্ষ্যা করছিলাম। দাওয়াতের উদ্দেশ্য মুরগীর রোস্ট চাবানোর জন্য না,
ষোল আনা পারফেক্ট মেয়েটাকে দেখা।
কথা অনেক এগিয়েছে শুনেছিলাম, তবু কেন জানি ছেলেটা পরিবার নিয়ে কানাডায় ফিরে গেল। আমার আর মেয়েটাকে দেখা হল না। নিশ্চই কানাডায় বড় হওয়া ছেলেটা মেম সাহেব নিয়ে জীবন কাটানোর চিন্তা করেছে।
তিনমাস পর ছেলের বাবা ফিরে এল। গ্রামের বাড়ি, জায়গা জমি কি ছিল তার আবছা মনে আছে। সেই আবছা মন নিয়ে সব বিক্রি করলেন অল্প সময়ে। সব সম্পদ ক্যাশ করে যেদিন ফিরে যাবেন,
সেদিন এয়ারপোর্ট এ দেখা। বিমানের জন্য অপেক্ষ্যা করছেন দেখে জিজ্ঞেস করলাম সব সম্পদ বিক্রি করে চলে যাচ্ছেন, দেশে ফিরবেন না আর? ছেলের বিয়ে হল?
উত্তর পাইনি, অন্যমনস্ক হয়ে কি যেন ভাবছেন। তার বিমানের ঘোষণা চলছে এয়ারপোর্ট এ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। সালাম দিয়ে আসার সময় মানুষটা আমার হাত ধরে রাখল।
"আমার ছেলে মারা যাচ্ছে বাবা। দেশে আসার পর বিয়ে ঠিকঠাক, হুট করে ছেলের পেটে যন্ত্রনার কারনে ডাক্তার দেখালাম। ছেলে যন্ত্রনায় কু কু আওয়াজ করত। দুইদিনের মাথায় জানা গেল ছেলের ক্যান্সার। বাঁচবে সর্বোচ্চ এক বছর। কানাডায় নিয়ে গেলাম উন্নত চিকিৎসা করাব। সেই সুযোগ নেই,
কঠিন রোগ শরীরে লুকিয়ে ছিল।
এখন দামী ওষুধ, দামী হাসপাতাল দিয়ে যতদিন বেঁচে থাকে। সব বিক্রি করে নিয়ে যাচ্ছি। আমার ছেলের জন্য দোয়া কর বাবা, আলৌকিক কিছু যেন হয়।"
মানুষটার বিমান ছেড়ে দিবে, লম্বা পা ফেলে চলে যাচ্ছেন। চোখে পানি নেই, হয়ত সব পানি শুকিয়ে গেছে। আমি স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিছুই বলার ছিল না।
ছেলেটা এক মাসের মধ্যে মারা গেল। আলৌকিক কিছু বাঁচাতে আসেনি। আমি যেদিন তার মৃত্যুর খবর শুনেছি সে রাতে অফিস থেকে ফিরে তার ফেসবুক দেখলাম। মৃত্যুর দুদিন আগে তার শেষ স্ট্যাটাস ছিল দুই লাইনের একটা শত কোটি টাকার দামী বাক্য;
"যদি তোমার একটা সুস্থ শরীর থাকে, তবে
আল্লাহর কাছে আর কোন বিষয়ে অভিযোগ করো না"।
-সংগ্রহীত
বাংলাদেশের মাস্টারপিস মুভি❤
এই ধরণের মুভি নিয়মিত বানানো হলে হয়তো আমাদের ইন্ডাস্ট্রির এই দুরবস্থা হতোনা
মুভির নাম--অজ্ঞাতনামা(২০১৬)
জনরা--ড্রামা
আইএমডিবি--৯/১০
পার্****ল রেটিংঃ১০/১০
মুভির বেস্ট পার্ট হলো এর স্টোরি...স্টোরিটা অনেক ডিপ ছিল...
মুভিতে মূলত দরিদ্র প্রবাসী এবং তাদের পরিবারের কষ্ট দেখানো হয়েছে...এছাড়াও মানবতা নামক জিনিসটাও দেখানো হয়েছে এই মুভিতে
অভিনয়ের কথা বললে শহিদুজ্জামান সেলিম সেরা অভিনয় করেছে...তিনি অভিনয়ের দ্বারা সবাইকেই ছাড়িয়ে গিয়েছেন...বিশেষ করে তার রাগ করার সময়কার অভিনয়গুলা এককথায় সেরা ছিল,পুরাই আগুন???..মোশাররফ করিম ও অনেক ভালো করেছে...বাকিদের অভিনয় ও অনেক ভালো ছিল
ডিরেকশন ও অনেক সুন্দর ছিল...ডিরেক্টর অনেক ভালোভাবে,দারুণভাবে গল্পটাকে উপস্থাপন করেছে...বিশেষভাবে এন্ডিংটা অনেক ইমোশনালভাবে দিয়েছে,যেটা সত্যিই অসাধারণ লেগেছে❤
মুভির কনসেপ্ট টা অনেক ভালো ছিল...সত্যিই দারুণ ছিল...
অনেক কম বাজেটে সত্যিই দারুণ একটা মুভি বানিয়েছে ডিরেক্টর তৌকির আহমেদ
আশা করি এই ধরণের মুভি আমাদের ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিয়মিত পাবো আমরা...কারণ এতে আমাদের মুভি ইন্ডাস্ট্রি বাঁচবে
যারা দেখেননি তাড়াতাড়ি দেখে ফেলেন আমাদের দেশীয় এই মাস্টারপিস টি
ইউটিউবেই পেয়ে যাবেন সকলে
Happy Watching?
আমাদের বাংলাদেশের সিনেমা জগত যে উন্নত হচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নাই সুধু পোস্টার দেখে কলিজাটা ঠান্ডা হয়ে গেলো মুভি আসলে কি হবে তাই ভাবছি। একটাই কথা মাথায় এসেছিলো এটা দেখে এবার আমরাও ফাটাবো। ???
#Something_big_coming