×

Details

  • Male

  • 30/08/99

  • Studying at Govt. Titumir College

  • Living in Bangladesh

  • Located in Mirpur, Dhaka

×

Details

  • Male

  • 30/08/99

  • Studying at Govt. Titumir College

  • Living in Bangladesh

  • Located in Mirpur, Dhaka

9 months ago - Translate

দেড় বছর বয়স পেরিয়ে যাওয়া স্বত্বেও আমি যখন হাঁটতে শিখলাম না। তখন আমার পরিবারের সবার টনক নড়লো। আড়ে ঠাঁড়ে আম্মাকে কেউ কথা শোনাতে দ্বিধা বোধ করলেন না। অনেকে রিতিমত দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। আর মুখের উপর বলেই ফেললেন - বাচ্চাটা মনে হয় হাঁটতে পারবে না। ওরে হুইল চেয়ার কিনে দিতে হবে। কোলে আর কয়দিন?

আমার আম্মা তখন হয়তো বড় হাঁড়িতে ডাল বা তরকারী বাগার দিতে ব্যস্ত। আর তার কোলে অবধারিত ভাবে ঝুলছি আমি। একান্নবর্তী সংসার, কাজ একটু বেশি। এদিকে আম্মাকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। বাড়ি ভর্তি মেহমান। পিঠে বানানো হচ্ছে। কাজের সুবিধার জন্য আম্মা আমাকে ওড়নায় বেঁধে পিঠে ঝুলিয়ে নিয়েছেন। তবুও একা রুমে রাখেন নি। যদি খাট থেকে পড়ে যাই।

আমার বয়স তখন দুই বছর। আম্মা আমাকে বসিয়ে রেখে দুধ জ্বাল দিচ্ছেন। আমি আস্তে করে হেঁটে গিয়ে আমার স্যান্ডেল টা বাইরে থেকে এনে রুমে রাখলাম।
কাকি এটা দেখে চেঁচিয়ে উঠলেন " নিতুর মেয়েতো হাঁটতে পারে।"

সেদিন রাতে বড় আম্মা কাকি, আম্মাকে চেপে ধরলেন "মেয়ে যে হাঁটতে পারে, তুমি জানোনা!"
- জানিতো।
- তাহলে ওকে হাঁটতে দাওনা কেনো?
- সারাজীবন হেঁটেই বেড়াতে হবে, থাকুক কিছুদিন কোলে। আম্মার সরল স্বীকারোক্তি।

আমার আম্মার কোনো দামি শাড়ি নেই। নেই জি বাংলা স্টার প্লাস দেখা ডিজাইনের গহনা। বিয়েতে আমার বিধবা নানু, আর আমাদের বাড়ি থেকে যা দিয়েছিলো। সংসারের হাল শক্ত রাখতে তার অধিকাংশই মা বিক্রি করেছেন।

আমার বোনকে একবার ভুল ওষুধ খাইয়ে দিয়েছিলেন আম্মা। আব্বা বাড়ি নেই। আম্মা হাতের বালা বিক্রি করে হাসপাতালের বিল আর ঔষধ কিনেছেন। আমার বোন কে নিয়ে যেদিন বাড়ি ফিরি, সেদিন ওই প্রথম বলেছিলো " আম্মাল হাতে তুলি নাই নাই "।

আমাদের এই মধ্যবিত্তের সংসারে আমার মা একদম বেমানান। আম্মাকে জড়িয়ে ধরলে আমি আজো পাই মশলার গন্ধ। আমার মা সুগন্ধি মাখেন না। আমরা হঠাৎ মেখে দিতে চাইলে বলেন - থাক, তোমরা মাখো। তোমাদের জন্য এসব দরকার। আমার মেয়েরা সুন্দর থাকলেই হোলো। মায়েদের এতোকিছু লাগেনা।

আমার মাকে বেশিরভাগ ঈদে নতুন শাড়ি পড়তে দেখিনি। কেনা হয়তো হয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে হয়তো এমন একজন মেহমান এসেছে বা লিষ্টে বাদ পড়েছে। আমার মা আগে তার শাড়িটিই বের করে দিয়েছেন। পুরো ঈদের দিন মনটা খচখচ করেছে। কিন্তু আম্মা দিব্যি পুরাতন শাড়িতেই আমাদের জন্য সেমাই, পায়েশ, রেঁধেছেন। গোসল করে আগের একটা ধোয়া শাড়ি পড়ে মিষ্টি করে হাসছেন। আমার কাছে এটাই পৃথিবীর সেরা সুন্দর দৃশ্য।

আম্মা একবার অনেকদিন হাসপাতালে ছিলেন।
আমরা দু'বোন আম্মার পাশে দিনরাত বসে থাকতাম। বিকেলে ভিজিটিং আওয়ারে কেউ না কেউ খাবার আনতেন। তখন আমরা ভাত খেতাম। খানিকটা ভাত রেখে দিতাম রাতে খাবার জন্য। আব্বা আমাদের হাতে টাকা দিয়ে রাখতেন। সকালে নাস্তা খাবার জন্য। সোরয়ার্দী হাসপাতালের মেঝে আর বারান্দায় শোয়া শত শত রুগী পেরিয়ে। আমরা সকালের খাবার কিনতে যেতাম না।

একদিন বিকেলে আম্মাকে কেউ দেখতে এলোনা। আমরা চুপ করে আছি। সন্ধ্যা পেরুচ্ছে। রাত এলো। দু'বোন বাইরে একটু ঘুরে এসে এমন ভাব করলাম। যেনো খেয়ে এসেছি। আম্মা যতোবার বলেন - বাবা খাইছো? আমরা বলি - হ্যা ক্লান্তিতে কখন জানি ঘুমিয়ে পড়েছি। রাত দশটার দিকে আম্মা ডেকে তুললেন। ঘুম ভেঙে দেখি আম্মার হাতে সদ্য রান্নাকরা গরম ভাত। সাথে ডিম ভাজি আর ডাল। আম্মা বড় বড় লোকমায় আমাদের দু'বোনকে খাইয়ে দিচ্ছেন। আর উনার চোখ বেয়ে পানি পড়ছে।
আম্মা কি করে বুঝলেন, আমরা না খেয়ে আছি। আর ডালভাত ডিম ভাজিই বা কোথাথেকে যোগাড় করলেন, আমি জানিনা। হয়তো মা বলেই সব বুজেছেন।

যতোবার পরীক্ষা দিতে গিয়েছি। আম্মা সাথে গিয়েছেন। আর হলের বাইরে দাঁড়িয়ে দোয়া দরূদ পড়েছেন।
এসএসসি পরীক্ষার সময়ে টাইফয়েডে পড়লাম। যা খাই বমি করি। ঘাড় বাঁকা হয়ে গেলো। আম্মা ধরে ধরে পরীক্ষার হলে নিয়ে যেতেন। সবাই যখন গোল্ডেন এ প্লাস পেলো। আমার তখন ভয়াবহ খারাপ রেজাল্ট। আমি কাঁদছি চিৎকার করে।
আমি আবার পরীক্ষা দিতে চাই। আম্মা হেসে বললেন। আরে বোকা যারা গোল্ডেন পেয়েছে তারাও কলেজে পড়বে, সেই সাথে তুমিও। আবার পরীক্ষা দিলে তুমি স্কুল ছাত্রী হয়ে যাবে।

বড় আপার ( চাচাতো বোন) বিয়ে দেয়া হয়েছে সম্প্রতি। আব্বু মোটামুটি নিঃশ্ব। বড় আব্বু বেঁচে নেই। তাই আম্মা আব্বুর মাথায় অনেক দুঃশ্চিন্তা। ভাইয়া বিসিএস দিচ্ছেন। অন্য চাকরিও ছেড়ে দিয়েছেন। এমন সময়ে এলো পহেলা বৈশাখ। আমরা চুপচাপ আছি। সেবার ও আম্মা আমাদের রাতে ডেকে তুললেন। আমাদের সাথে নিয়ে বৈশাখী জামা আর নতুন স্যান্ডেল কিনে দিলেন। সারাদিন জামা পড়ে ঘুরলাম। রাতে বললাম - আম্মা তোমার নতুন শাড়ি কই?
আম্মার জবাব - আম্মাদের এতোকিছু লাগেনা।

আমি বাইরে গেলে, আমার মা আমার অপেক্ষায় থাকেন। মাংসের ভালো টুকরা, মাছ ভাজির মুচমুচে অংশটা নিজের পাতে পরলেও এনে আমাদের মুখে তুলে দেন। আমি বলি - আম্মা তুমি খাও। আম্মার এক উত্তর "আম্মাদের এতোকিছু লাগেনা।"

আজ মা দিবস বলে, মা'কে নিয়ে লিখছি এমন না। আমার মা আমার অনুপ্রেরণা। যার কাছে পৃথিবীর সব দুঃখ কষ্ট জমা রাখা যায়। সবুজ পান্না আর ঝকমকে হিরে আমাদের সংসারে নেই। তবে আছে মিষ্টি একটা হাসি 'যা আমাদের দেখলেই আমার মায়ের চোখে মুখে ফুটে ওঠে।

আমি ভালোবাসতে শিখেছি আমার মায়ের কাছ থেকে। ধৈর্যর যদি কখনো বাঁধ ভেঙে যায়। আমি আমার মায়ের দিকে তাকাই। "আমি সইতে শিখেছি আমার মায়ের কাছ থেকেই। এইতো আমার সাধারণ মা, সুতি জামা পড়া, নিরাভরণ গয়না ছাড়া, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদর আর আবদারের জায়গা । এই হঠকারিতার রঙিন ফানুস জীবনে একমাত্র এই মানুষটিই নিঃস্বার্থ ভাবে নির্দ্বিধায় বলতে পারে " মায়েদের এতো কিছু লাগে না।"

#আমার মা

#Copied.

10 months ago - Translate

ঢাকায় চলাফেরা করতে চাইলে এসব বিষয়ে খুব সতর্ক
থাকুন!!

১। ফার্মগেটে হঠাৎ দেখতে পেলেন,
কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে মেরে রক্তাত্ত
করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই,
সাহায্য করেন। আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা
করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ হতে পারে। ওরা
আপনাকে মেরে সব কিছু নিয়ে যেতে পারে,
কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র।

২। ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে, সে যার
সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে
হবে কিন্তু তার কাছে টাকা নেই। বলবে আপনার
মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল
দিলেও সে ব্যাক করবে। আপনি কল দিলেন তো
ফাঁদে পড়লেন। ওরা নিরীহ মানুষদেখে তাদের
নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে
কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে
আপনাকে তাদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল
করবে।

৩। শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে
আছেন,নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ
দুর্বলতা,রোগে, নানালোভে আপনাকে ফাঁদে
ফেলার ব্যবস্থা। এমন বলে যে রুম ডেট এর
ব্যবস্থা আছে।

৪। রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা আলি আপনার
সাথে কথাবলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু
ইসারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে
কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার
সম্ভাবনা শতভাগ। আপনাকে তাদের আস্তানায় নিবে,
তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না। সব হারাতে পারেন। সুন্দরি বোরখা ওয়ালী মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

৫। গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি-ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস,লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে
গেলেন তো ফেঁসে গেলেন।

৬। যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মতবিনিময়
করবেন খুবই কম। আপনি যে স্থানে যাবেন সে
স্থান যেন আপনার পরিচিত হয়। বাসায় জানিয়ে যাওয়া ভালো আর কিছুক্ষণ পরপর যোগাযোগ করা উত্তম।

৭। রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত
থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা
রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ
থেকে ফেলে দেয়। খুব সাবধান!

৮। লঞ্চ, বাস বা ট্রেন এ কোনো বগি তে কম
যাত্রী থাকলে উঠবেন না। বিশেষ করে আপনি যদি
মেয়েযাত্রী হন বা সাথে মেয়ে বা মহিলা যাত্রী
থাকে ।

৯। যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পীড বোট এ যাতায়াত করবেন যেমন মাওয়া ঘাট এ , তারা টাকা বা মুল্যবান কিছু সাথে নিবেন না আর নারী যাত্রী বা মহিলাদের সাথে করে নিয়ে রাতে পার হবেন না। কারন, দেখা গিয়েছে যে, এক দল লোক আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানে বোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে বা মহিলাদের ধর্ষণ করে ছেড়ে দিতে পারে, আবার মেরেও ফেলতে পারে।

১০। হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাস ডিপোর কাছ
দিয়া , বা বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ
নেশাখোর ওঁতপেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য।

১১) আপনি ব্যাংক থেকে টাকা তুলছেন , আপনাকে
ফলো করবে একদল ছিনতাই কারি ? তারা সংঘ বদ্ধ
৮/১০ জন, বাসে উঠে বলবে আপনার কাছে থাকা
পরিমান তাদের টাকা হারাইসে। ওদের লোক খুজবে
, আপনার কাছে পাবে , আপনাকে ছিনতাইকারী
বলে পেটাবে, আর টাকাগুলো নিয়ে যাবে !!
.
বিপদ অাপনার কাছে যেকোনো মূর্হুতে
চলে অাসতে পারে...তাই সবসময় চোখ-কান
খোলা রেখে অগ্রসর হবেন।

মনে রাখবেন, আপনার বিবেক, আপনার জ্ঞান, আপনার হুশিয়ারি আর আপনার সচেতনতাই আপনার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। ভালো থাকবেন। শুভকামনা সবার জন্য।

Copied.

10 months ago - Translate

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাতে চাই, আমরা হাজার সদস্যের পরিবার তৈরী করতে পেরেছি। আমাদের বিশ্বাস, সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে #পিপিলিপি পরিবার আরো আনন্দঘন হয়ে উঠবে। আপনাদের সার্বিক সাহায্য আর সহযোগিতায় আমাদের এই সাফল্য। আশা করছি, পরিবারের বাইরে থাকা আপনার প্রিয় বন্ধুকে পিপিলিপি পরিবারে যোগ করবেন।
ধন্যবাদ...

image
10 months ago - Translate

মন্ত্রী সাধারণ মানুষের অবস্থা নিজ চোখে দেখতে শহরের সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজারে মাছ-মাংসের দোকানে উপস্থিত হলেন।

মন্ত্রী (মাংসের দোকানের কসাইকে): কেমন আছো? বেচাকেনা ভালো তো?

দোকানদার: বেচাকেনা এমনিতে ভালো। তবে আজ বিক্রি একদম বন্ধ।

মন্ত্রী (বিস্মিত কণ্ঠে): কেনো কেনো? আজ বিক্রি বন্ধ কেনো?

দোকানদার: আপনি পরিদর্শনে আসছেন বলে কোনো ক্রেতাকে আজ বাজারে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আপনি চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

মন্ত্রী (সহানুভূতির সুরে): মন খারাপ করো না। আজ আমিই হবো তোমার প্রথম কাস্টমার। ওই রানটা থেকে পাঁচ কেজি মাংস কেটে দাও দেখি।

দোকানদার: দুঃখিত,স্যার! দিতে পারবো না।

মন্ত্রী (হতবাক হয়ে): পারবে না,মানে?

দোকানদার: আপনার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাজারের সব ছোট বড় চাকু-ছোরা-বটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাই রান থেকে মাংস কাটার কিছু নেই।

মন্ত্রী- (কিছুটা সামলে নিয়ে): ঠিক আছে,কাটাকুটির ঝামেলায় গিয়ে লাভ নেই। আমাকে পুরো রানটাই দিয়ে দাও। তার আগে ওজনটা মাপো আর একটু পরিষ্কার করে দিয়ো।

দোকানদার: এসবের কিছুই আমি পারি না,স্যার!

মন্ত্রী: কেনো?

দোকানদার: কারণ,আমি কসাই নই।

মন্ত্রী (প্রচণ্ড রেগে গিয়ে): তুমি কসাই না,তবে মাংসের দোকানে বসে আছো কেনো?

দোকানদার: আপনার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাজার থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে প্রত্যেক দোকানে ইন্টেলিজেন্সের লোক বসানো হয়েছে,স্যার। আমি নিজেও তাদেরই একজন।

মন্ত্রী (রাগের সাথে): আমার সঙ্গে ফাজলামি হচ্ছে ? ডাকো তোমার কমান্ডারকে। এর কৈফিয়ত তাকে দিতে হবে।

দোকানদার: ওনাকে ডেকে লাভ নেই,স্যার। উনি নিজে মাছের দোকানদার সেজে আপনার জন্য বড় বড় রুই-চিতল নিয়ে অপেক্ষা করছেন। 😂

11 months ago - Translate

বাংলাদেশের একমাত্র সয়ংসম্পুর্ণ সোসাল মিডিয়া...

image