Cyber 71, We hack to protect Ban
Cyber 71, We hack to protect Ban

Cyber 71, We hack to protect Ban

@Cyber71

💻 আপনিও হতে পারেন একজন দক্ষ হ্যাকার এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। যুক্ত হোন ইথিক্যাল হ্যাকিং অনলাইন কোর্সে। হটলাইন- 01779224640, 01885841489

ক্যারিয়ার গড়ুন ইথিক্যাল হ্যাকার হিসেবে। বর্তমান বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হওয়া সত্ত্বেও অভাব রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ছাড়া বাংলাদেশে সহ উন্নত বিশ্ব গুলোর জব সেক্টরেও রয়েছে এর প্রচুর চাহিদা। তাই, অনলাইনে যে কোন জায়গা থেকেই সাইবার সিকিউরিটির উপর সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রবেশ করুন এই সম্ভাবনাময় জগতে।

অনলাইনে নিজস্ব ওয়েব সার্ভার থেকে সম্পুর্ণ লাইভ ক্লাস পরিচালনা হওয়া এই কোর্স সম্পর্কিত যে কোন প্রশ্ন ফোন করে কিংবা অফিসে এসে জেনে নিতে পারেন।
📞 01779224640, 01885841489
৫৬, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০
www.arenawebsecurity.net

ক্লাস সমূহ -
☑– প্রোগ্রামিং কন্সেপ্ট (পিএইচপি ও মাইএসকিউএল)
☑– সাইবার সিকিউরিটি পরিচিতি
☑– ফেসবুক / সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট সিকিউরিটি, রিকভার, ডিজেবল কনসেপ্ট।
☑– আইপি ট্র্যাকিং, লোকেশন ট্র্যাকিং।
☑– ওপেন সোর্স ইন্টিলিজেন্স।
☑– ক্রিপ্টোগ্রাফি
☑– রিমোট কোড এক্সিকিউশন।
☑– মোবাইল হ্যাকিং প্ল্যাটফর্ম
☑– কি লগার প্রজেক্ট
☑– ওয়েব নেটওয়ার্ক পেন্টেস্টিং
☑– সিস্টেম হ্যাকিং
☑– ওয়ার্ডপ্রেস রিকভার / সিকিউরিটি
☑– ওয়েবসাইট / সার্ভার সিকিউরিটি
☑– ১২+ টুলস এবং কার্যপ্রণালি [ সকল টুলস আমরাই প্রদান করবো। আলাদা ভাবে ক্রয় করার প্রয়োজন নেই।]
☑– ট্রোজান এবং ব্যাকডোর
☑– ভাইরাস এবং ওয়ার্ম
☑– স্যোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং
☑– ডিডস (ডেনিয়াল অফ সার্ভিস)
☑– ডিলেট হয়ে যাওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার
☑– এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির প্রাইভেট এক্সপ্লয়েট
☑– ওয়েব সার্ভার সিকিউরিটি, সি প্যানেল
☑– সি এস আর এফ, এক্স এস এস
☑– এস কিউ এল ইঞ্জেকশন, ওয়াফ বাইপাস
☑– ওয়েব সার্ভার পেন্টেস্টিং
☑– ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন পেন্টেস্টিং
☑– প্রাইভেট শেল স্ক্রিপ্ট
☑– বিভিন্ন ওয়েব অ্যাটাকিং মেথড
☑– লিনাক্স বেসড অপারেটিং সিস্টেম
☑– ফ্রিল্যান্সিং, ফাইবার / আপওয়ার্ক
☑– সিইএইচ হ্যাকিং মেথডলজি (সিএইচএম)।

পুরো কোর্স আউটলাইন দেখুন এই লিংকে - https://pastebin.com/1iAvxQZ6
এছাড়াও প্রত্যেকটি বিষয়ে প্রফেশনাল সেক্টরে দক্ষ করে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ সহায়তা।

কোর্সঃ দুই মাস + দুই মাস ইন্টার্নি। সর্বমোট ৪ মাস ব্যাপি চলবে এই প্রশিক্ষণ।
ট্রেইনারঃ Tanjim Al Fahim [প্রতিষ্ঠাতা, "সাইবার ৭১" প্রধান পরিচালক, "এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি]
এছাড়াও থাকবে আরো একঝাক অভিজ্ঞ প্রফেশনাল সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। কোর্সটি একেবারে বেসিক থেকে শুরু হওয়ায় আগে থেকে জানা বাধ্যতামূলক নয়.

ক্লাস সময়ঃ বৃহস্পতি এবং শনিবার - রাত ৯.৩০ টা থেকে ১১.৩০ টা। [অনলাইনে আমাদের নিজস্ব ওয়েব সার্ভার থেকে সম্পূর্ণ লাইভ ক্লাস]
প্র্যাকটিসঃ মঙ্গলবার। [আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী ৩ ঘন্টা নির্ধারণ করে নিতে পারবেন।]
কোর্স ফিঃ ১২ হাজার টাকা। [প্রথমে ৬ হাজার দিয়ে ভর্তি হতে হবে, বাকী ৬ হাজার দ ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫ দিন পর পরিশোধ যোগ্য।]
ক্লাস শুরুঃ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮।
আসন সংখ্যাঃ ৪০ জন। গত ব্যাচে আসন না পেয়ে যারা রেজিস্ট্রেশন করে রেখেছিলেন তাদের অগ্রাধিকার।
হটলাইন- 01779224640, 01885841489 [২৪ ঘন্টা অনলাইন সাপোর্ট]

ভর্তি হওয়ার নিয়ামবলী এবং কোর্স সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারেন এই লিংক থেকেঃ https://goo.gl/beuBqr
এছাড়াও এরিনা সিকিউরিটি নিয়ে সচরাচর কিছু প্রশ্নোত্তরঃ
https://goo.gl/FuFdMJ
আমাদের এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির পেজটিতে সাবেক শিক্ষার্থীদের মতামত গুলো দেখে নিতে ভুলবেন না।
দৈনিক পত্রিকা গুলোতে আমাদের সাফল্য সংবাদ - http://www.jugantor.com/old/it....-technology/2015/03/
দৈনিক পত্রিকা গুলোতে আমাদের কোর্স সম্পর্কিত তথ্যাবলী - http://www.amadershomoy.biz/un....icode/2017/09/20/324

জানুন, যাচাই করুন, অভিজ্ঞদের মতামত নিন, সঠিক দিক নির্দেশনায় ক্যারিয়ার গড়ুন....
এছাড়াও এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের মাধ্যমেও জেনে নিতে পারেন বিভিন্ন তথ্যাবলীঃ https://www.facebook.com/ArenaBangladesh/

image
image
image
image
+4

সুপার শপ ও বড় বড় শো রুম গুলোতে কিছু কিনতে গেলে তারা কষ্ট করে ক্যালকুলেটর চেপে এখন আর হিসেব করে না । পিস্তলের মত ছোট একটি যন্ত্র দিয়ে কোন কিছুর উপর লাল রঙের লেজার ফেলে আর সাথেসাথেই তার সামনে থাকা কম্পিউটারে সেই জিনিসের নাম ও দাম উঠে যায় , যে খানে তারা লাইট ফেলে সেখানে থাকে সাদা কালো হিজিবিজি কিছু লাইন । আমাদের মত সাধারন মানুষের কাছে এই হিজিবিজির কোন মূল্য না থাকলেও এই হিজিবিজি লাইন দিয়েই আজকে বড় বড় বিক্রয়োত্তর প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্যাবসাকে সহজ করে তুলেছে। একে আমরা বারকোড বলে থাকি , এত কথা আসলে শুধু শুধু বলা হল , কারন বারকোড নিয়ে কোন কথাই বলব না , এখন বার কোডের কালো সাদা হিজিবিজি জিনিসের মত আরেকটি পুরাতন কোড সিস্টেম রয়েছে যাকে আমরা বলি মোর্স কোড ।

স্যামুয়েল মোর্স ১৮৪০ সালে বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ যোগাযোগের জন্য প্রথম এ কোড তৈরি করেন। প্রথম মোর্স কোড বার্তাটি ছিল, “What hath god wrought?” যা ওয়াশিংটন থেকে বাল্টিমোরে পাঠানো হয়েছিল।
রেডিও যোগাযোগের জন্য মোর্স কোড প্রথম দিকে ব্যপক ব্যবহৃত হত। এমনকি বিংশ শতাব্দির প্রথম দিকেও টেলিগ্রাফ লাইন, সমুদ্রের নিচে কেবল এবং রেডিও সার্কিটে দ্রুত গতির যোগাযোগ করা হত মোর্স কোডের সাহায্যে। সাধারনত "ডট(ডিট)" এবং "ড্যাশ(ডাহ্)" এর মাধ্যমে কোন ভাষার letters, numerals, punctuation এবং special characters প্রকাশ করা হয়। পেশাগত ভাবে পাইলট, এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনকারী, জাহাজের ক্যাপ্টেন, সামুদ্রিক স্টেশন চালনাকারীদের মোর্সকোডে খুবই ভাল দক্ষতা থাকতে হয়।
আকাশে বিমান চালানোর সুবিধার্থে গঠিত বিভিন্ন বেইজ স্টেশন যেমন VHF Omni-directional Radio Range (VORs); Non-Directional Beacon (ND আকাশে চলমান বিমানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জন্য প্রতিনিয়ত নিজেরদের অস্তিত্ত্ব জানান দিতে মোর্স কোডের ব্যবহার করে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডেরাল কমিউনিকেশন কমিশন এখনো সামুদ্রিক যোগাযোগের জন্য মোর্সকোড ব্যবহার করে। নেভি সিল সহ বড় বড় গ্রুপ গুলো পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে সিগনাল পাঠাতে কিছু কিছু সময় মোর্স কোড ব্যবহার করে।
মোর্স কোডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটি নানারকম ভাবে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করা যায়। শব্দ, চিহ্ন, পাল্স, রেডিও সিগনাল, রেডিও অন অফ, আয়নার আলো, লাইট অন অফ ইত্যাদি নানা উপায়ে মোর্সকোডের মাধ্যমে তথ্য প্রেরন করা যায়। একারণেই S O S মেসেজ পাঠানোর জন্য মোর্স কোড সবচেয়ে উপযোগী। SOS হল এক কথায় বলতে গেলে বিপদে উদ্ধার আহবানের সিগনাল , এর পূর্ন রূপ হচ্ছে "Save our Souls"।
কিভাবে মোর্স কোড তৈরী করব , অনলাইনে বিভিন্ন সাইট আছে যেখানে সহযেই আপনি একটি ওয়ার্ডের মোর্স কোড পাঠাতে পারবেন । তবে আমরা কাগজে কলমেই মোর্স কোড একটু শিখে ফেলি , বাকি জিনিস ঘাটাঘাটি করতে করতে আপনারা নিজেরাই শিখে ফেলতে পারবেন । তবে মোর্স কোডের সিগনাল বুঝতে বা পাঠাতে এর উপর অনেক দক্ষতা থাকতে হয় খুব সহজে এটি আয়ত্ত করা হয়ত সম্ভব না , প্রথমেই মোর্স কোডের কোন বর্নটি কি দিয়ে প্রকাশ করা হয় তা নিচের ছবিতে দেয়া চার্ট দেখে বুঝে নেই ,
আমরা SOS দেখি ,
S স্থানে এখানে ৩ টি ডট ...
o স্থানে ৩ টি ড্যাশ ---
অর্থাৎ আমরা যদি কাওকে SOS সিগনাল পাঠাতে যাই তো আমাদের মোর্স কোড হবে ...---...
আপনারা চাইলে ইউটিউব বা গুগল থেকে SOS এর মোর্স কোডে সাউন্ড সিগনাল টি দেখে আসতে পারেন , তাহলে হয়ত ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে , প্রতিটি বর্নের মাঝে সাউন্ড সিগনালে অল্প ব্যাবধান থাকে এবং একটি ওয়ার্ডের পর একটু বেশী সিগনাল গ্যাপ থাকে যা থেকে শব্দ ও বর্ন আলাদা ভাবে বুঝা যায় ।
ভাল জিনিশ শিখিয়ে দিলাম , মোর্স কোড উপরের চার্ট দেখে নিজের নাম খাতায় বা বই এ দিয়ে রাখুন , প্রিয়জনকে মনের কথা বলতে পারছেন না ...... মোর্স কোড দিয়ে পাঠিয়ে দিন , কিছু বুঝুক আর না বুঝুক আপনি মনের কথা বলে দিয়েছেন , এই যা স্বান্তনা ।
তো আজকের মত এতটুকুই , সামনে অন্য কোন কোড নিয়ে লেখব ( হয়ত )
নীচের ছবিতে একটা মোর্স কোড দেয়া হয়েছে , ডিকোড করে কমেন্টে দিয়ে দিন ......

image

image

কোথাও ফোন অথবা কম্পিউটার ঠিক করতে দেওয়া আগে আপনার ব্যক্তিগত ছবি / ভিডিও সরিয়ে ফেলুন না হয় আপনিও Cyber-bullying এর শিকার হতে পারেন।

সার্ফ এক্সেলের ওপর রাগ করে মাইক্রোসফট এক্সেলকে গালাগালি!

এইটা এক মাত্র ভারত এই Possible! 😂

হলি উৎসবকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি একটি ভিডিও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে সার্ফ এক্সেল। এই বিজ্ঞাপনকে ঘিরে চলছে সমালোচনা। হিন্দুত্ববাদী উগ্রপন্থীদের দাবি, বিজ্ঞাপনটিতে মুসলমানদের নামাজের প্রতি উৎসাহ দেয়া হয়েছে। আর এই সমালোচনার ফল ভোগ করতে হচ্ছে গুগল-প্লে স্টোরে থাকা মাইক্রোসফট এক্সেলকে। অনেকে রীতিমত গালাগালি করে মাইক্রোসফটের চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধার করছেন!

শুনতে অবাক হলেও ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। দেশটির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সার্ফ এক্সেলকে মাইক্রোসফট এক্সেলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ভেবে প্লে-স্টোরে থাকা মাইক্রোসফট এক্সেল অ্যাপটির রেটিং কমিয়ে নানা মন্তব্য করছেন।

উগ্রপন্থী রাজনৈতিক কর্মীরা নামের শেষে ‘এক্সেল’ শব্দ থাকায় ‘সার্ফ এক্সেল’ আর ‘মাইক্রোসফট এক্সেল’কে গুলিয়ে ফেলেছেন। কেউ আবার উভয় কোম্পানির স্বকীতা জেনে শুনেই মাইক্রোসফট এক্সেলকে নেগেটিভ রেটিং দিচ্ছেন!

একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, সার্ফের (সার্ফ এক্সেল) সঙ্গে অংশীদার হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং ধর্মবিরোধী বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগ পর্যন্ত আমি অ্যাপটি পছন্দ করতাম। এখন আমি যখন আমি ওয়ার্ড এক্সেলে কোনো কিছু পড়তে ধরি তখনই হিন্দুবিরোধী প্রচারণা সম্পর্কে মাথায় আসে। এই কাজ করার জন্য তোমাদের প্রতি ধিক্কার জানাই।

অপর এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, সার্ফ এক্সেল বিজ্ঞাপনের কারণে আমি অ্যাপটিকে এক স্টার দিচ্ছি।

রহিত সিং নামে আরেকজন ব্যবহারকারী হিন্দি ভাষায় লিখেছেন, আমি জানি তুমি সার্ফ এক্সেল না। তবুও আমি অ্যাপটিকে এক স্টার দিচ্ছি কারণ এক্সেল শব্দটির প্রতি আমার ঘৃণা জন্মেছে। অনেকে সার্ফ এক্সেল বয়কটের ঘোষণা দিয়েও রিভিউ দিয়েছেন।

এদিকে কিছু ব্যবহারকারী কমেন্ট করে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে এই মাইক্রোসফট এক্সেল সার্ফ এক্সেল না। আর সার্ফ এক্সেলের সঙ্গে মাইক্রোসফট এক্সেলের কোনো যোগাযোগ নেই।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

image

ছ‌বিটা সেভ ক‌রে রে‌খে দিন। গেম খেলা নি‌য়ে কেউ কিছু বল‌লে এটা দেখায় বল‌বেন যে ম‌ন্ত্রি আমা‌দের খেল‌তে ব‌লে‌ছেন।😁

image